আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজআইন আদালতআলমডাঙ্গায় অর্ধ শতাধিক চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

আলমডাঙ্গায় অর্ধ শতাধিক চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস




ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:

আলমডাঙ্গায় কুমার নদ ও জিকে ক্যানেলে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরার নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর অর্ধশতাধিক চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। পরে জব্দ করা এসব নিষিদ্ধ জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০সহ সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বধ্যভূমি এলাকা থেকে হাউসপুর ব্রিজ পর্যন্ত জিকে ক্যানেলের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহনেওয়াজ মেহেদী। এ সময় উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুস ছাত্তার, আলমডাঙ্গা থানার এসআই কাজী শফিকুল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে ক্যানেলের বিভিন্ন স্থানে পেতে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালগুলো উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল উপজেলা চত্বরে এনে সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চায়না দুয়ারি অত্যন্ত ক্ষতিকর মাছ ধরার উপকরণ। এসব জালে বড় মাছের পাশাপাশি মাছের পোনা, ছোট মাছ, ডিমওয়ালা মাছ এবং বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণী আটকা পড়ে। ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ও বংশবিস্তার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ে। এ ধরনের নিষিদ্ধ উপকরণ ব্যবহারের কারণে চিংড়ি, কাঁকড়া, ব্যাঙসহ বিভিন্ন উপকারী জলজ প্রাণীও মারা বা আটকা পড়তে পারে। বিশেষ করে নির্বিচারে পোনা মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে জলাশয়গুলোতে দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ও উপকরণ ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নদী-খাল ও ক্যানেলে নিষিদ্ধ উপায়ে মাছ না ধরতে স্থানীয় জেলেসহ সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ