আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগকার্পাসডাঙ্গায় হাসুয়ার কোপে এক ব্যক্তি জখম; আদালতে মামলা দায়ের

কার্পাসডাঙ্গায় হাসুয়ার কোপে এক ব্যক্তি জখম; আদালতে মামলা দায়ের




কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি:

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মিশনপাড়ায় চায়ের দোকানে বসে থাকা রবিন কাটানী নামের এক ব্যক্তির ওপর ধারালো হাসুয়া দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার বাম হাতের বাহুতে গুরুতর জখম হয়েছে। আহত রবিন কাটানী বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দামুড়হুদা থানা আমলি আদালতে মামলা করেছেন। রবিন কাটানী ওই এলাকার মৃত মিখাইল কাটানীর ছেলে। গত ১৬ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে মিশনপাড়ার মোংলা মন্ডলের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় রবিন কাটানী দোকানে বসে ছিলেন।
মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে টিংকু মল্লিক (৪৫) তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে টিংকু মল্লিক মুঠোফোনে তার ছেলে অনুগ্রহ মল্লিককে (১৮) হাসুয়া নিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর অনুগ্রহ মল্লিক ধারালো হাসুয়া ও কাঠের বাটাম হাতে নিয়ে চায়ের দোকানে আসেন। তিনি দোকানের ভেতরে ঢুকে রবিন কাটানীকে কাঠের বাটাম দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় দোকানে থাকা লোকজন অনুগ্রহ মল্লিককে ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই সময় টিংকু মল্লিক রবিন কাটানীকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার বাম ঘাড় লক্ষ্য করে হাসুয়া দিয়ে কোপ দেন। রবিন কাটানী বাম হাত দিয়ে কোপটি ঠেকানোর চেষ্টা করলে হাসুয়ার আঘাত তার বাম হাতের বাহুতে লাগে। এতে তার হাতের শিরা ও হাড় কেটে গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার পর চায়ের দোকানের মালিক মোংলা মন্ডল গামছা দিয়ে আহতের হাত বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর চিকিৎসক এক্স-রে করানো ও বিশ্রামের পরামর্শ দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। রবিন কাটানীর অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে হাসপাতালে গিয়েও খুঁজতে থাকেন। এ অবস্থায় তিনি কৌশলে সেখান থেকে সরে গিয়ে আত্মগোপনে থাকেন। পরে ১৭ আগস্ট আদালতে মামলা করেন। এ ঘটনায় রক্তমাখা কাপড় আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে বাদীপক্ষ জানিয়েছে। মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে মোংলা মন্ডল, বাবুল মন্ডলসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত টিংকু মল্লিকের বক্তব্য জানতে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ