নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, উদ্ধার করা মাদকের বিক্রি, সংরক্ষণ ও পরিবহনে আরও দুজন জড়িত। তারা পলাতক রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বাইতুর নূর গোরস্থান জামে মসজিদের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর দক্ষিণপাড়ার মৃত জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে শফি উল্লা (৬৩) এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বুজরুকগড়গড়ি মুসলিমপাড়ার মৃত ছমির উদ্দিনের ছেলে খোকন (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরতলীর দৌলতদিয়াড় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে সন্দেহভাজন অবস্থায় থাকা শফি উল্লা ও খোকনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১০ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে উদ্ধার করা মাদক ও ইজিবাইক জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদক বিক্রি, হেফাজতে রাখা, পৃষ্ঠপোষকতা ও মদদ দেয়ার সঙ্গে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক সহযোগীদের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। থানার এফআইআর নম্বর ৩, তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬; জিআর নম্বর ২৬৮। মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ৮(খ), ৩৮, ৪০ ও ৪১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


