আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজআইন আদালতপারিবারিক দ্বন্দ্বে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পারিবারিক দ্বন্দ্বে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড




মেহেরপুর অফিস:

মেহেরপুরে নিজের মেয়ে ববিতাকে হত্যার দায়ে পিতা বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত বজলুর রহমান মেহেরপুর সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আমেশাতলাপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকার আওলাদ হোসেনের ছেলে। নিহত ববিতা ছিলেন বজলুর রহমানের মেজো মেয়ে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামে ভৈরব নদ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হওয়ার খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে নদ থেকে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় গলায় ওড়না পেঁচানো অর্ধগলিত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় মেহেরপুর সদর থানার এসআই মকবুল হোসেন বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪/২০১ ধারায় মামলা করেন। মামলাটি সদর থানার মামলা নম্বর ২৯। পুলিশের তদন্তে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। নিহত তরুণী ববিতা কুলবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর তার পিতা বজলুর রহমানকে আটক করা হয়।
মামলার তদন্তে জানা যায়, ঘটনার দিন মেহেরপুরের কাথুলী বাসস্ট্যান্ড থেকে ববিতাকে একটি পিকআপে করে বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিলেন বজলুর রহমান। পথিমধ্যে পিকআপ থেকে নামার পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ববিতাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এতে ববিতা মাটিতে পড়ে গেলে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে বাড়িতে ফিরে কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে গিয়ে ববিতার নিথর দেহ দেখতে পান বজলুর রহমান। পরে মরদেহটি একটি বস্তায় ভরে পার্শ্ববর্তী ভৈরব নদে ফেলে দেন বলে আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তিনি। ঘটনার ৫-৬ দিন পর নদীর ওই এলাকা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামি বজলুর রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট খন্দকার একরামুল হক হীরা মামলা পরিচালনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ