আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজআইন আদালতমেহেরপুরে ধর্ষণ মামলায় আ.লীগ নেতার যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড

মেহেরপুরে ধর্ষণ মামলায় আ.লীগ নেতার যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড




মেহেরপুর অফিস:

মেহেরপুরে ধর্ষণ মামলায় কলিম উদ্দিন ওরফে কালু নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত কলিম উদ্দিন ওরফে কালু মেহেরপুর জেলার পিরোজপুর এলাকার মৃত আব্দুল মন্ডলের ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত-২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় করা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সঙ্গে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামির ওপর আরোপিত অর্থদণ্ড ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে ওই অর্থ আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে তার মালিকানাধীন বা অধিকারভুক্ত সম্পদ থেকে তা আদায় করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের দাবিটি অন্য যেকোনো দাবির চেয়ে অগ্রাধিকার পাবে। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়ার জন্য মেহেরপুরের ডেপুটি কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ওই অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা হওয়ার পর তা মামলার ভুক্তভোগীকে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়, আসামি চাইলে রায়ের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন। এছাড়া বিচারাধীন সময়ে আসামির হাজতবাসের সময় ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৫এ ধারার বিধান অনুযায়ী সাজা থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। রায় ঘোষণার পরপরই এজলাস থেকে নেমে অজ্ঞান হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।
আদালত সূত্র আরও জানায়, রায়ের অনুলিপি প্রয়োজনীয় কার্যার্থে মেহেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত আলামত বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য রায়ের অনুলিপি মেহেরপুরের কোর্ট ইন্সপেক্টরের কাছেও পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পিরোজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কালুর অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই রায় রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ