আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজস্বাস্থ্যবিরিয়ানি খেয়ে বমি-ডায়রিয়া, শিশুসহ ৯ জন হাসপাতালে

বিরিয়ানি খেয়ে বমি-ডায়রিয়া, শিশুসহ ৯ জন হাসপাতালে




আলমডাঙ্গা অফিস:

আলমডাঙ্গায় একটি বিরিয়ানি হাউজ থেকে খাবার খাওয়ার পর শিশুসহ তিন পরিবারের নয়জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, গত সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে আলমডাঙ্গা থানা-সংলগ্ন হাজী বিরিয়ানি হাউজ থেকে বিরিয়ানি কিনে খাওয়ার পর রাত থেকেই তাদের পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার তাদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের জোড়গাছা গ্রামের ফারুক হোসেনের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (২৭) ও তাদের দুই সন্তান তাওহিদ (২) ও তাওসিফ (৮), জেহালা ইউনিয়নের রোয়াকুলি গ্রামের জিনারুল ইসলাম (৪৬), তার স্ত্রী পান্না খাতুন (৪২) ও ছেলে সাহেদ (১৩), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের জাহিদ হোসেনের স্ত্রী (৩৫) ও মেয়ে জান্নাতুল শ্রাবণী (১৫) এবং তাদের আত্মীয় জিহাদ আলীর স্ত্রী সুবর্ণা খাতুন (২১)।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, তারা পৃথক সময়ে সোমবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে আলমডাঙ্গা থানা-সংলগ্ন ওই বিরিয়ানি হাউজ থেকে বিরিয়ানি কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। রাতে পরিবারের সদস্যরা বিরিয়ানি খাওয়ার পর রাত ১২টার দিকে একে একে তীব্র পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। বিরিয়ানি খাওয়া পরিবারের সদস্যদের সবাই একই ধরনের অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি তাদের।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ফারুক হোসেন বলেন, অফিস শেষে হাজী বিরিয়ানি হাউজ থেকে বিরিয়ানি কিনে বাসায় নিয়ে আসি। রাতে আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান বিরিয়ানি খায়। রাত ১২টার পর থেকেই তারা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বমি, পেটব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হয়। পরদিন সকালে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বলেন, বাড়িতে ভাত রান্না করার মতোও এখন কেউ নেই। আমার ধারণা, খাবারে সমস্যা ছিল। কারণ যারা বিরিয়ানি খেয়েছে, তারাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে এসেছে। বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অপর ভুক্তভোগী জাহিদ হোসেন বলেন, আলমডাঙ্গায় ঘুরতে গিয়ে ফেরার সময় হাজী বিরিয়ানি হাউজ থেকে দুই প্যাকেট বিরিয়ানি কিনে বাসায় যাই। পরিবারের তিনজন মিলে সেই বিরিয়ানি খাওয়ার পর সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে সকলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আরও বলেন, একই বিরিয়ানি খেয়ে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে একাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। একাধিক মানুষ অসুস্থ হওয়ায় বিষয়টি প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা ওয়াহিদ তানি বলেন, আলমডাঙ্গা থেকে শিশুসহ নয়জন বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। রোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিরিয়ানি খাওয়ার পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে সবাই চিকিৎসাধীন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ