কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি:
দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী পীরপুরকুল্লা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরে ফরিদ শেখ (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। প্রতিবেশীর বালিধারার আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। গতকাল সোমবার ভোররাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদ শেখের মৃত্যু হয়। তিনি পীরপুরকুল্লা গ্রামের আবু হোসেন চৌকিদারের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত রবিবার সন্ধ্যায় প্রতিবেশী দুলালের বাড়িতে কাপড়ের ছেড়া ন্যাকড়া ফেলা নিয়ে ফরিদ শেখের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি থেকে দুজনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এ সময় উত্তেজিত হয়ে প্রতিবেশী দুলাল বালিধারা দিয়ে ফরিদ শেখের মাথায় সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আঘাতে ফরিদ শেখ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে রাতেই তাকে রাজশাহীতে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোররাতে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় শোকের আবহ নেমে এসেছে। সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বাগ্বিতণ্ডা, এরপর সংঘর্ষ এবং শেষ পর্যন্ত একজনের প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


