আলমডাঙ্গা অফিস/হাটবোয়ালিয়া প্রতিনিধি:
আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযান, নিয়মিত চেকপোস্ট ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলের পৃথক অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনের কাছ থেকে দুই পিস করে মোট চার পিস মাদকদ্রব্যÑদুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও দুটি ইয়াবাÑউদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য ছয়জন বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমডাঙ্গা থানার এসআই মনিরুল হক হাওলাদার সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কামালপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় কামালপুরে নিজ বাড়ি থেকে জাকির হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাকির হোসেনকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। একই রাতে আলমডাঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেনÑআলিয়াটনগরের শাহজাহান (৩৫), কালিদাসপুরের রাফি আহম্মেদ (২৩), গড়গড়ি (পুটিমারী) গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩৩), পাঁচকমলাপুরের আব্দুল কুদ্দুস (৫০), গড়গড়ী গ্রামের হারুন আলী (৪০) এবং জোড়গাছা গ্রামের ইমান আলী গাইন (৪০)। অন্যদিকে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গার বড় বোয়ালিয়া মিল বাজার এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্ট অভিযান চালায় হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্প। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে জুয়েল হোসেন (২৬) নামের এক যুবককে থামিয়ে দেহ তল্লাশি করা হয়। তার কাছ থেকে দুটি ইয়াবা উদ্ধার হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের টু-আইসি এএসআই সরদার হাছিবুর রহমান ও এএসআই সানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা এ চেকপোস্ট পরিচালনা করেন। গ্রেপ্তার জুয়েল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কোদাকাটি পূর্বপাড়ার আব্দুল মালেকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গায় পৃথক অভিযান ও চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


