আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গার গহেরপুরে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ

চুয়াডাঙ্গার গহেরপুরে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ




তিতুদহ প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের গহেরপুর গ্রামের আলী আকবর লিটনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহিদুল ইসলাম মাস্টার। একই সঙ্গে মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং নিরীহ কৃষক ও শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে গহেরপুর গ্রামের বিরোধপূর্ণ জমিতে দেয়া এক লিখিত সংবাদ বিবৃতিতে এসব দাবি জানান মহিদুল ইসলাম। তিনি আন্দুলবাড়িয়ার মৃত ছাবদার আলীর জামাতা।
লিখিত বিবৃতিতে মহিদুল ইসলাম বলেন, গহেরপুরের বিরোধপূর্ণ জমির মধ্যে তাদের নিজ নামে দলিল ও খাজনাকৃত সম্পত্তি রয়েছে। সুজায়েতপুর মৌজার আরএস ১১৫ ও ১১৬ নম্বর দাগে মোট ১ একর ২৫ শতক জমি রয়েছে। ওই জমি হস্তান্তর ও মূল্য পরিশোধ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে তাদের চুক্তি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। মহিদুলের ভাষ্য, ২০২০ সালের ২৮ মে আরএস ১৮৯ নম্বর খতিয়ানের সম্পত্তি আলী আকবর লিটনের পক্ষে তিনি তার জামাতা হিসেবে জৈনক জামিরুল ইসলাম, বাটিকাডাঙ্গা গ্রামের ওমর আলীর কাছে হস্তান্তর করেন। পরে প্রায় দুই বছর পর জামিরুল ইসলাম সম্পত্তিটি নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে তা পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, তার নিজের প্রায় পাঁচ বিঘা জমি এবং শ্বশুরের সম্পত্তি মিলিয়ে চাহিদা অনুযায়ী ওই ব্যক্তির কাছে জমি দেয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে বাগানে গাঁজাগাছ দেখতে পান তারা। পরে তিতুদহ ক্যাম্পের তৎকালীন আইসি ফকির ফেরদৌস সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সেগুলো উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ওই ঘটনার পর তাঁকেও গাঁজার বিষয়টির সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে লিখিত চুক্তি না থাকলেও মৌখিকভাবে বাগান ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত তিন-চার বছর ধরে তিনি কোনো টাকা দেননি। বর্তমানে তার প্রায় ২০ বিঘা জমি ওই ব্যক্তির কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন মহিদুল। মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, জমি ও অর্থসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের বিরুদ্ধে একটি নয়, একাধিক ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে দণ্ডবিধির ১১৪, ৪৪৭, ৩২৩, ৩৭৯, ৪০৬, ৪২০, ৩৮৫, ৩৮৭, ৪২৭ ও ৫০৬(২) ধারার অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব মামলায় সাধারণ কৃষকসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে এবং তাঁদের আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। মহিদুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, দর্শনার একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব তৎকালীন হিজলগাড়ি ক্যাম্পের এসআই জাহাঙ্গীর আলমের ওপর দেওয়া হয়েছিল। তিতুদহ ক্যাম্পের হুমায়ূন কবিরও তদন্তে সহায়ক ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর বিভিন্ন অভিযোগের ধারা বহাল রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মহিদুল। তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ দাবির অভিযোগও তুলে মহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি এ ধরনের অভিযোগ শুনেছেন এবং যাদের কাছে অর্থ দাবি করা হয়েছে, তাদের কেউ কেউ বিষয়টি জানেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা প্রমাণ সংবাদ বিবৃতিতে উল্লেখ করেননি। মহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু হওয়ার কথা। কিন্তু সাধারণ কৃষকদের বিরুদ্ধে এভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার পেছনে যারা রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি। তার ভাষ্য, মামলার আসামিদের মধ্যে অনেকেই নিরীহ কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ, তাদের যেন হয়রানি থেকে মুক্তি দেয়া হয়। সংবাদ বিবৃতিতে মহিদুল ইসলাম আরও দাবি করেন, মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা মনিরুজ্জামান ওরফে মোক্তার বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের চেক জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তার অভিযোগ, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও আইনগত বিষয়গুলো যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ