আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে পৃথক অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় দুজনের কাছ থেকে ১৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং অপর একজনের কাছ থেকে চুরি করা মালামাল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে উপজেলার শেখপাড়া (উত্তরপাড়া) গ্রামে অভিযান চালায় আসমানখালী পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল। এ সময় আল আমিনের বাড়ির পেছনের পাকা রাস্তা থেকে তাঁর ১৭ বছর বয়সী ছেলে রিফাতুল ইসলামকে ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। পুলিশ বলছে, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৪ হাজার ৫০০ টাকা। আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু হওয়ায় তাকে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কালিদাসপুর রেলগেটের উত্তর পাশে চক্ষু হাসপাতাল সড়কসংলগ্ন একটি কম্পিউটার দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে আলামিন হক (২৪) নামের এক যুবককে একটি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩৫০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে শিয়ালমারী উত্তরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে রানা হোসেন (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে দুটি বেঞ্চ, দুটি লোহার ফ্রেম ও দুটি কাঠের পাটাতন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকেও তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা থানা ও বিভিন্ন পুলিশ ক্যাম্পের পৃথক অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেনÑফুলবগাদী গ্রামের গোলাম রসুল (৫০), চিৎলা গ্রামের সিদ্দিক আলী (৫৪), তিয়রবিলা (পাইকপাড়া) গ্রামের হাসিবুল ইসলাম (৩২), আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়ার মায়া খাতুন (২৭) এবং চিৎলা গ্রামের নাজমিন খাতুন (৫০)। তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আলমডাঙ্গা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে রিফাতুল ইসলামসহ পরোয়ানাভুক্ত পাঁচজনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


