আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল অভিযানে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সময়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্টেশনপাড়ার নুরুমিয়ার মার্কেটে অভিযান চালিয়ে হৃদয় অধিকারী (২২) ও শাহ পাভেল (২৩) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে ফারুক মিয়া (৫৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে দুটি চোরাই ছাগল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার রাতে বাবুপাড়ার স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশের গ্যালারির দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক (৫০), মাহফুজুর রহমান (৩৫), শাকিল আহম্মেদ (৩৬) ও আমান উল্লাহ আল আমিন (৩২) নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাদের গাঁজা সেবনের সময় এক পুরিয়া গাঁজা ও গাঁজা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই রাতে বড় বোয়ালিয়া মিলবাজার এলাকায় একটি টেলিকম ও ইলেকট্রনিক্স দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে জুয়েল হোসেন (২৬) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়া বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মানিক কুমার শিকদারের নেতৃত্বে সনাতনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বির হোসেন ওরফে আকাশ (২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। অন্যদিকে আলমডাঙ্গা থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ও পুরোনো মামলার আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেনÑবেলগাছি গ্রামের ওল্টু (৩২) এবং দামুড়হুদা উপজেলার একটি পুরোনো মামলার আসামি মাছুম বিল্লাহ ওরফে আকাশ উদ্দিন (৩৪)।
পুলিশের ভাষ্য, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আলমডাঙ্গায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মাদক ও চোরাই ছাগল উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার আটজনকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। অপর দুজনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকেও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


