নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা। শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদ্যাপনের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে তাদের নৈতিক মূল্যবোধ, সৎ চরিত্র ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হয়। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স ভবন প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতিসাগর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সহ-সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র-শিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মনির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্র-শিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাসুম বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে সাবেক জেলা আমির ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনোয়ারুল হক মালিকসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই সাফল্যের শেষ ধাপ নয় বরং ভবিষ্যতের পথচলার সূচনা। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিক গুণাবলি ও সৎ চরিত্র অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তারা বলেন, শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ভালো ফল করলেই একজন মানুষ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠেন না। শিক্ষার সঙ্গে আদর্শিক চরিত্র ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটাতে হবে। মেধাকে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজে লাগাতে হলে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীলতা ও সততার চর্চা করতে হবে। বক্তারা কৃতী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে নিজেদের দক্ষ, সৎ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা শিক্ষার্থীদের অর্জিত সাফল্য ধরে রেখে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে দেশ ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সংবর্ধনা ও সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।


