দামুড়হুদা অফিস:
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সম্রাট (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে গত শনিবার রাতে থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে এসআই (নিঃ) মিজানূর রহমান সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে দামুড়হুদা থানার বড় দুধপাতিলা গ্রামে অভিযান চালান। এ সময় গ্রামের আজিজুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে থেকে সম্রাটকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, আটক সম্রাটের বাড়ি দর্শনা থানার দোস্ত গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আরিফ হোসেনের ছেলে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে সম্রাটের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার পরনের প্যান্টের ডান পকেটে সাদা পলিথিনে রাখা দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। ইয়াবাগুলোর আনুমানিক মূল্য ৬০০ টাকা। পুলিশ বলছে, সম্রাট নিজেই তাঁর পকেট থেকে ইয়াবাগুলো বের করে দেন। পরে রাত সাড়ে ১০টায় টর্চলাইটের আলোতে জব্দতালিকা প্রস্তুত করে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়। এরপর সম্রাটকে থানায় নেয়া হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উদ্ধার করা ইয়াবাসহ সম্রাটকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত) হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পুলিশের ভাষ্য, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে থানা এলাকায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


