আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজকৃষি ও পরিবেশ‘কৃত্রিম সঙ্কট অতিরিক্ত দাম ও অবৈধ মজুত হলে কঠোর ব্যবস্থা’ 

‘কৃত্রিম সঙ্কট অতিরিক্ত দাম ও অবৈধ মজুত হলে কঠোর ব্যবস্থা’ 




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের দোরগোড়ায় সময়মতো সার পৌঁছে দেয়া, সুষম বণ্টন এবং মানসম্মত বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সার ও বীজ মনিটরিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত দাম, অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
সভায় জেলার সার মজুত, বরাদ্দ, উত্তোলন ও বিতরণব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষি মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত সার সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। সভায় নির্দেশ দেয়া হয়, প্রতিমাসের ৭ তারিখের মধ্যে ডিলারদের বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করতে হবে। একই সঙ্গে সার নীতিমালা অনুসরণ করে ডিলারদের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়। সভায় সার সুষমভাবে বিতরণ না হওয়ার অভিযোগও উঠে আসে। এতে সার নীতিমালা লঙ্ঘনের আশঙ্কার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। কোনো ইউনিয়নে একজন মাত্র সার ডিলার থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের মাধ্যমে সার বিতরণের সুযোগ রয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়। একই পরিবারের দুজনকে সার ডিলার করা যাবে না এ বিষয়টিও সভায় স্পষ্ট করা হয়। বীজের মান নিয়েও সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কৃষকদের মধ্যে বীজ সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কৃষকদের হাতে পৌঁছানোর আগেই বীজের মান যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলায় ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে ২ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। এ ছাড়া টিএসপি ৭৮১ মেট্রিক টন, ডিএপি ১ হাজার ৭৬ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১ হাজার ৬৯০ মেট্রিক টন মজুত রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, কৃষি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হলে তার প্রভাব পুরো অর্থনীতির ওপর পড়ে। তাই কৃষকের প্রয়োজনীয় সার ও মানসম্মত বীজ সময়মতো এবং ন্যায্যমূল্যে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বলেন, কোনোভাবেই সার ও বীজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত দাম নেয়া, অবৈধ মজুত বা কালোবাজারি করা যাবে না। ডিলার ও ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে সার ও বীজ বিক্রি করতে হবে। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, কৃষকদের হয়রানি না করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সার ও বীজ বিতরণ করতে হবে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং আরও জোরদার করতে হবে এবং কৃষকদের অভিযোগ দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করেই আমাদের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। সার ও বীজ নিয়ে কোনো অনিয়ম বা সংকট তৈরি হলে প্রশাসন কঠোরভাবে তা মোকাবিলা করবে। কৃষকের প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
সভায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) দেবাশীষ কুমার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) মিঠু চন্দ্র অধিকারী, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জেলা সার ডিলার কমিটির সভাপতি আকবর আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার সার ডিলাররাও অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ