আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজআইন আদালতমেহেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ; চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার 

মেহেরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগ; চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার 




মেহেরপুর অফিস:

মেহেরপুরে খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদা দাবি ও প্রতারণার অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তিনি ওই এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। এর আগে শহরের মহিলা কলেজ এলাকা থেকে একই চক্রের আবির নামে অপর এক সদস্যকে আটক করা হয়েছিলো। আবির বর্তমানে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে। প্রতারণার মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা আলীরাজ বিশ্বাস গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিহাদের ভাই বিপুল দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই মেহেরপুরে অবস্থানরত কয়েকজনের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি। সম্প্রতি প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে খুলনার সাবেক এসপি তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে মেহেরপুরের কয়েকজনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি শুরু করে চক্রটি।
চক্রটি মেহেরপুরের আবির ও সুজন নামে দুই যুবকের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সিম সংগ্রহের পরিকল্পনা করে। পরে সুজন এক সিম বিক্রেতার কাছ থেকে কৌশলে ১৮টি সচল সিম সংগ্রহ করে জিহাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এসব সিমের একটি নম্বর ব্যবহার করেই খুলনার সাবেক এসপির পরিচয়ে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নম্বরটির অবস্থান শনাক্ত করে ডিবির একটি বিশেষ দল। পরে অভিযান চালিয়ে জিহাদ ও আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ধারণা, গ্রেপ্তার দুজনের পাশাপাশি এই চক্রে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মেহেরপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পার্সন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমের সূত্র ধরে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদকে আটকের মধ্য দিয়ে অন্য জেলার এক পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ