আসমানখালী প্রতিনিধি:
আলমডাঙ্গা উপজেলার ভোগাইল বগাদী সোনারমোড় সড়কের পাশে বিদ্যুতের তারে আগুন লেগে একটি গাছের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গেছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গাছটির ডালপালা দুর্বল হয়ে পড়ায় বর্তমানে এটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো সময় শুকনো ও পুড়ে যাওয়া ডালপালা ভেঙে সড়কের ওপর পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোগাইল বগাদী সোনারমোড় থেকে বগাদী বাজার ও মদিনাবাগ তালিমুল কোরআন মাদ্রাসার সামনের সড়কের পাশে গাছটির অবস্থান। গাছটির ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার চলে গেছে। সম্প্রতি ওই তারে আগুন ধরে গেলে তা গাছের ডালপালায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে গাছটির একটি বড় অংশ পুড়ে যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ডালপালাগুলোও এখন আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। গাছটি সড়কের একেবারে পাশে হওয়ায় এর ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, ভ্যান, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত সড়কটি ব্যবহার করেন। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ কোনো পুড়ে যাওয়া বা শুকনো ডাল ভেঙে সড়কে পড়ে গেলে পথচারী কিংবা যানবাহনের ওপর আঘাত লেগে গুরুতর দুর্ঘটনা এমনকি প্রাণহানিও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ঝড়ো বাতাস, বৃষ্টি কিংবা বৈরী আবহাওয়ায় গাছটির ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে। আগুনে গাছের কাঠামোর একটি অংশ দুর্বল হয়ে যাওয়ায় কখন কোন ডাল ভেঙে পড়ে, তা নিয়ে সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, বিদ্যুতের তারে আগুন ধরে গাছটি পুড়ে যাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি তাদের নজরে আসে। সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় গাছটি দাঁড়িয়ে থাকায় পথচারী ও যানবাহনের চালকদের সতর্ক হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তাদের আশঙ্কা, দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেয়ার চেয়ে আগেই ঝুঁকিটি দূর করা বেশি জরুরি। স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, গাছটির ঝুঁকিপূর্ণ ডালপালা কেটে ফেলা অথবা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে পুরো গাছটি নিরাপদভাবে অপসারণ করা উচিত।
এলাকাবাসীর দাবি, কোনো দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটার অপেক্ষায় না থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। সময়মতো গাছটির ঝুঁকিপূর্ণ অংশ অপসারণ করা গেলে সড়কে চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনাও এড়ানো সম্ভব হবে।


