আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী ও বিশেষ অভিযানে নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনের কাছ থেকে তিনটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া চুরি মামলার সন্দেহভাজন একজন এবং পরোয়ানাভুক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর তাঁতীবাজার এলাকার আলহাজ্ব বস্তুালয় ও গার্মেন্টসের সামনে অভিযান চালিয়ে বিশ্বজিৎ অধিকারী (২৫) নামের এক যুবককে দুটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ৩০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়। এর আগে একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আলমডাঙ্গা রেলস্টেশনসংলগ্ন পুরোনো গোডাউনের পাশে অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম (৪২) নামের একজনকে একটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১৫০ টাকা। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে, বিশেষ অভিযানে আলমডাঙ্গা থানার একটি চুরি মামলার তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন আসামি শগুন (২৫) নামের এক যুবককে সাদা ব্রিজ মোড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২১ জুলাই করা আলমডাঙ্গা থানার ৩৭৯ ধারার মামলায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া আলমডাঙ্গা থানা ও বিভিন্ন পুলিশ ক্যাম্পের পৃথক অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেনÑখাদিমপুর গ্রামের বেল্টু (৪৫), গোবিন্দপুর গ্রামের রহিদুল ইসলাম (৫০), গড়চাপড়া গ্রামের আফরোজা খাতুন, বিনোদপুর গ্রামের কালু (৪৫), ডাউকি গ্রামের সাবিনা খাতুন এবং মাজু (মাঝেরপাড়া) গ্রামের সাবিহা খাতুন (৩৬)। তাঁদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার বিশ্বজিৎ অধিকারীকে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য সামারি ট্রায়াল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। শগুন ও পরোয়ানাভুক্ত ছয়জনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


