আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজঅর্থনীতিচুয়াডাঙ্গায় আগুন পুড়ে চার দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই;  ব্যবসায়ীদের পাশে জেলা প্রশাসন

চুয়াডাঙ্গায় আগুন পুড়ে চার দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই;  ব্যবসায়ীদের পাশে জেলা প্রশাসন




সরোজগঞ্জ প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের নতুন ভান্ডারদহ গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুইটার দিকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুনে প্রায় ১৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই চারটি দোকানের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন নতুন ভান্ডারদহ গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামের ছেলে নিশান, জালাল উদ্দীনের ছেলে নিজাম উদ্দিন এবং ওমর সর্দারের ছেলে আজিজ।
অগ্নিকাণ্ডে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের ইলেকট্রনিক্সের দোকান, নিশানের হার্ডওয়্যার দোকান, আজিজের নাপিতের দোকান এবং নিজাম উদ্দিনের সার-কীটনাশকের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে দোকানগুলোর মালামালসহ আসবাবেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী নিশান বলেন, আমার দোকানের সম্পূর্ণ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার আর কিছুই নেই। ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, তার দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন জানান, তার দোকানের প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। অপর ক্ষতিগ্রস্ত নাপিত আজিজের প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের হিসাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে নগদ ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের মধ্যে শুকনো খাবারও বিতরণ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে বলেন, তারা আবেদন করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। এ সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ