আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজআন্তর্জাতিকনেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই

নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই




আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউই বেঁচে নেই। সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ঘুরে এসে তা নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা। আর কাউকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করার সম্ভাবনাও সেখানে নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গের উদ্ধারকাজ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) সাত সদস্যের একটি বিশেষ দল শুক্রবার ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গটিতে প্রবেশ করেছিল। নেতৃত্বে ছিলেন হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাং। নেপালি সেনার একটি দলও সেই উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছিল।
এপিএফ-এর সদস্য অম্বর মাহাত সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘‘গোটা প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা আর মাটিতে চাপা পড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও অংশ পাথরে ভরে রয়েছে। আমরা সুড়ঙ্গের ভিতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছি। যেখানেই খুঁজেছি, শুধু কাদা আর মাটি পেয়েছি।’’ বানের পানির চাপে ওই সুড়ঙ্গের উপরের স্ল্যাবও ধসে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। গত ২৬ অগস্ট বুধবার সকালে ভোটেকোশী এবং ত্রিশূলী নদীতে যখন আকস্মিক বন্যা আসে, সে সময় নেপালের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ছ’টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছিল। প্রতি ক্ষেত্রেই সুড়ঙ্গ কেটে মাটির নীচে বানানো হয়েছিল পাওয়ারহাউস। প্রত্যেকটি প্রকল্প বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু সুড়ঙ্গেই ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ বলে জানিয়েছে বিভিন্ন নেপালি সংবাদমাধ্যম।

এই পরিস্থিতিতে সর্বত্র জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছিল। কাদা এবং মাটির স্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের খোঁজ করছেন নেপালি সেনা ও পুলিশের আধিকারিকেরা। ন’দিন পর ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গ থেকে দু’জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা গিয়েছে। একই সুড়ঙ্গ থেকে পাওয়া গিয়েছে এক শ্রমিকের দেহও।সউদ্ধার দুই শ্রমিকদের নাম সঞ্জয় শাহ এবং কবীর মহারাজন। তাদের যখন উদ্ধার করা হচ্ছিল, সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে আরও কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে বলে দাবি করা হয়েছিল।
কিন্তু উদ্ধারকারী দলের সদস্যেরা সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গিয়ে খুঁজে দেখে এসেছেন, আর কেউ সেখানে নেই। সঞ্জয় এবং কবীরকে চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে। সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে সঞ্জয় জানিয়েছেন, বান আসছে শুনে সুড়ঙ্গ থেকে অন্যদের বার করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। তাতেই দেরি হয়ে যায় এবং তিনি নিজে আর বেরোতে পারেননি। ন’দিন টানা সুড়ঙ্গের ভিতরে মন্ত্র জপ করেছেন, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন। বেঁচে যে বেরোতে পারবেন, ভাবেননি। শুক্রবার পর্যন্ত হড়পা বানে নেপালে ১২৮৭টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৫৩০০-র বেশি মানুষ নিখোঁজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ