আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগ‘সাক্ষরতা মানুষের মর্যাদা ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি’

‘সাক্ষরতা মানুষের মর্যাদা ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি’




নিজস্ব প্রতিবেদক:
‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। সভায় টেকসই সমাজ গঠন, জনকল্যাণে শিক্ষার গুরুত্ব এবং শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট মোড় ঘুরে আবার জেলা প্রশাসন চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা শুধু পড়তে ও লিখতে পারার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাক্ষরতা মানুষকে সচেতন করে, চিন্তার শক্তি বাড়ায় এবং নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। একটি শিক্ষিত, মানবিক ও উন্নত সমাজ গঠনে সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে একটি জাতিকে উন্নতির পথে এগিয়ে নেয়া সম্ভব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, একটি উন্নত, জ্ঞানভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। সাক্ষরতা শুধু অক্ষরজ্ঞান অর্জন কিংবা নাম স্বাক্ষর করতে পারার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জ্ঞান, দক্ষতা, সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে এবং সমাজকে এগিয়ে নেয়ায় প্রকৃত সাক্ষরতার লক্ষ্য। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তিনির্ভর। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে। শিশুদের পাশাপাশি যারা এখনো শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত, তাদেরও সাক্ষরতার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো শিশুই যেন শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, বিশেষ করে নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। চুয়াডাঙ্গাকে একটি শিক্ষিত, দক্ষ ও সচেতন জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তবে সরকারের একার পক্ষে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ জন্য শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, শুধু দারিদ্র্য কিংবা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো মানুষ যেন শিক্ষার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। শিক্ষার সুযোগ যত বিস্তৃত হবে, মানুষের সক্ষমতা তত বাড়বে; আর সক্ষম মানুষই গড়ে তুলতে পারে বৈষম্যহীন, মানবিক ও সমৃদ্ধ সমাজ।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শারমিন সেলিনা আজহার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ রহমান, কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোলাইমান হোসেন, সাংবাদিক শাহ আলম সনি এবং শিক্ষার্থী মাইসা মালিহা ও তালহা জুবাইয়েরসহ অন্যরা।

দামুড়হুদায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনঃ ছবি খাসখবর 

দামুড়হুদা অফিস জানিয়েছে, ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দামুড়হুদায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো দামুড়হুদার আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এনজিওকর্মীরা অংশ নেন। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতার অর্থ শুধু পড়তে ও লিখতে শেখা নয়, এটি মানুষের আত্মমর্যাদা, অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা এবং সমাজে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণের সক্ষমতা তৈরি করে। একজন সচেতন নাগরিক পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির এই সময়ে মানুষের মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক ও ডিজিটাল জ্ঞানও প্রয়োজন। বিশেষ করে তথ্য যাচাই, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার এবং দৈনন্দিন জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সাক্ষরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সভায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নিরক্ষরতা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত শিশু, কিশোর-কিশোরী ও বয়স্কদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন বক্তারা। একই সঙ্গে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
বক্তারা আরও বলেন, সাক্ষরতা দিবসের কর্মসূচি কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর মানুষের মধ্যে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও সচেতনতা বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নিরক্ষরতা কমলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি একটি দক্ষ ও দায়িত্বশীল জনগোষ্ঠী গড়ে উঠবে।
আলোচনা সভায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান, একাডেমিক সুপারভাইজার রাফিজুল ইসলাম, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক মহলদারসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক ও সুপারভাইজার, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও সভায় অংশ নেন।

জীবননগর অফিস জানিয়েছে, ‘মানুষ, পৃথিবী এবং সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জীবননগরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষা ও সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জীবননগর উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি। মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল জব্বারের সঞ্চালনায় সভায় জীবননগর উপজেলার শিক্ষা পরিস্থিতি, সাক্ষরতার বর্তমান অবস্থা এবং সাক্ষরতার হার আরও বাড়াতে করণীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা শুধু একজন মানুষের নাম লেখা বা পড়তে পারার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একজন মানুষকে দক্ষ, সচেতন, দায়িত্বশীল ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সাক্ষরতার মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষা মানুষের চিন্তাশক্তি বিকশিত করে এবং নিজের অধিকার, দায়িত্ব ও সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। বক্তারা আরও বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর কোনো বিকল্প নেই। সমাজের প্রতিটি মানুষকে শিক্ষার আওতায় আনার পাশাপাশি বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশুদের পুনরায় শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বয়স্ক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার প্রসার ঘটাতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইসমাইল হোসেন, উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের ইন্সপেক্টর সুভাষচন্দ্র ঘোষ, ইউএপিইও ফিরোজুল ইসলাম, ইউএপিইও শাহরিয়ার কবির, জীবননগর থানা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার হোসেন, সুবলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিস, নারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালিদা পারভীন, পীচমোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোমিন উদ্দিন, নুরজাহান খাতুন, নাসরিন আক্তারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি বলেন, একটি শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠীই পারে একটি উন্নত সমাজ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে। তাই সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে শিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

জীবননগরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন: ছবি খাসখবর 

মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বলেছেন, একটি জাতির অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে শিক্ষা। আর শিক্ষার প্রথম ধাপ হচ্ছে সাক্ষরতা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা সাধারণত জানি, সাক্ষরতা মানে বর্ণ চেনা বা নিজের নাম স্বাক্ষর করতে পারা। কিন্তু আসলে সাক্ষরতার অর্থ ও কার্যকারিতা অনেক বিস্তৃত। সাক্ষরতাকে আমরা কয়েকটি ধাপে নিতে পারি, যেমন প্রাথমিক বা মৌলিক সাক্ষরতা। ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম।
এ সময় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পার্থপ্রতিম শীল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুল হক, মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মঈনুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাহিম, মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ মিয়া, মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাহাবুব-উল আলম, ইতি খাতুন ও সাকিবুল ইসলাম।

মেহেরপুরে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভাঃ ছবি খাসখবর 

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ইনজামুল হক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এনামুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এ জে এম সিরাজুম মনির, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন, সদর উপজেলা ভিডিপি কর্মকর্তা মিরাজুল হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ