আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি নজর, প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবে বিএনপিসহ মিত্ররাও📰চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ আটক ৩ জনকে জেল-জরিমানা📰উন্নয়নকাজে রাজনৈতিক বৈষম্য থাকা উচিত নয়: এমপি রুহুল📰দর্শনায় যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন আহত📰চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে শাহজাহান মুকুল সম্পাদক পদে আব্দুল মজিদ📰সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে: এমপি রাসেল📰জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ📰চুয়াডাঙ্গায় সমাজসেবা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা লুট📰আলমডাঙ্গায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান গ্রেফতার-৫📰শিশুদের নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সাবধান থাকার আহ্বান
হোম পেজরাজনীতিআলমডাঙ্গায় দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

আলমডাঙ্গায় দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বন্দরভিটা গ্রামে ২৫ শতক জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে প্রায় ২৫ বছর ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। এরই মধ্যে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে বিএনপির নাম ব্যবহার করে দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। তবে নির্মাণকারীদের দাবি, জমিটি সরকারি।
জমির মালিকানা দাবি করে মৃত আতাহার মন্ডলের ছেলে আব্দুস সালাম বলেন, বন্দরভিটা গ্রামে তার কেনা ২৫ শতক জমি রয়েছে। জমিটির দলিল, নামজারি (খারিজ) এবং ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) তার নামেই রয়েছে। কিন্তু মৃত ছলেমানের লোকজন জালিয়াতির মাধ্যমে ওই জমি নিজেদের বলে দাবি করে আসছেন। আব্দুস সালামের অভিযোগ, তার মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখল করে বিএনপির নাম ব্যবহার করে গ্রামের কিছু ব্যক্তি সেখানে দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। এতে তিনি নিজের জমির দখল ও ভোগদখল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে মৃত ছলেমানের নাতি লুহু হোসেন বলেন, তার দাদা লেখাপড়া জানতেন না। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একই গ্রামের শিক্ষিত ব্যক্তি মৃত নুরু মাস্টার ও মৃত মসলেম জালিয়াতির মাধ্যমে জমির রেকর্ড তৈরি করে দেন বলে তাদের অভিযোগ। পরবর্তীতে তারা ওই জমি মৃত আতাহার মন্ডলের ছেলে আব্দুস সালামের কাছে বিক্রি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের রায়ে যে পক্ষ মালিকানা পাবে, তারাই জমির মালিক হবেন।
এদিকে, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান রেজু বলেন, জমিটি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ও মামলা চলমান থাকার সুযোগে গ্রামের কিছু ব্যক্তি জোরপূর্বক দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া আদায় করছেন বলে তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করেন। তিনিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিষেধ করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির কেউ জড়িত নন এবং এর দায়ভার ইউনিয়ন কমিটি নেবে না।
অন্যদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী আবু ছদ্দিন, ভোরল, আশাবুল, টগর, সুজন, লিপু ও ইয়ারুলের দাবি, বিরোধপূর্ণ ওই জমি সরকারি সম্পত্তি। তারা সরকারি জায়গা দখল করেই সেখানে দলীয় কার্যালয় ও দোকানঘর নির্মাণ করেছেন।
আব্দুস সালাম আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউর রহমান রেজু ও মামুনুর রশীদ মামুনকে অবহিত করেছেন। তার দাবি, তারা দুজনই ওই জমিতে বিএনপির কার্যালয় না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
একই জমিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর এমন পাল্টাপাল্টি দাবিতে এলাকায় বিরোধ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের এ বিরোধের প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণে জমির মূল দলিল, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন করের নথি, সরকারি জমির রেকর্ড এবং আদালতে চলমান মামলার নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ