আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি নজর, প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবে বিএনপিসহ মিত্ররাও📰চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ আটক ৩ জনকে জেল-জরিমানা📰উন্নয়নকাজে রাজনৈতিক বৈষম্য থাকা উচিত নয়: এমপি রুহুল📰দর্শনায় যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন আহত📰চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে শাহজাহান মুকুল সম্পাদক পদে আব্দুল মজিদ📰সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে: এমপি রাসেল📰জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ📰চুয়াডাঙ্গায় সমাজসেবা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা লুট📰আলমডাঙ্গায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান গ্রেফতার-৫📰শিশুদের নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সাবধান থাকার আহ্বান
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগ জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব সামলে ৪০ বছরে এসএসসি পাস কার্পাসডাঙ্গার বিল্লাল

 জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব সামলে ৪০ বছরে এসএসসি পাস কার্পাসডাঙ্গার বিল্লাল




কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি:

জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছেন দীর্ঘদিন ধরে। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও রাখছেন ভূমিকা। সংসার ও জনপ্রতিনিধির ব্যস্ততার ফাঁকে নিজের জীবনের অপূর্ণ একটি অধ্যায়ও পূরণ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণে নীরবে শুরু করেছিলেন পড়াশোনা। শেষ পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে বয়স হার মেনেছে। ৪০ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে সেই স্বপ্নেরই বাস্তবায়ন করেছেন দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আরামডাঙ্গা গ্রামের ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন।
২০২৪ সালে উন্মুক্ত স্কুলে ভর্তি হয়ে অনেকটা নীরবেই লেখাপড়া শুরু করেন বিল্লাল। জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব, সংসার ও নানা ব্যস্ততার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যটি এতটাই ব্যক্তিগত ছিল যে বিষয়টি কাউকেই জানাননি। দীর্ঘদিনের সেই পরিশ্রমের ফল আসে বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর। ফল প্রকাশের পর নিজের পাসের খবর জানতে পেরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন বিল্লাল হোসেন। পরে বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাক্সক্ষীদের মিষ্টিমুখ করান তিনি। বিল্লালের এই সাফল্যে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাদের ভাষ্য, বিল্লাল হোসেন ভদ্র ও ভালো মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকার পাশাপাশি নিজের শিক্ষাজীবনের অপূর্ণতা পূরণে তিনি যে বয়সকে বাধা হতে দেননি, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার।
ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন বলেন, ২০২৪ সাল থেকে মনে মনে লেখাপড়া করেছি। কাউকে জানাইনি। আজ ফল প্রকাশ হয়েছে, আমি পাস করেছি এটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ।
বিল্লালের গল্প যেন মনে করিয়ে দেয়, শেখার কোনো বয়স নেই। জীবনের নানা ব্যস্ততা কিংবা বয়সের ব্যবধানও ইচ্ছাশক্তি প্রবল হলে স্বপ্নপূরণের পথে শেষ কথা নয়। নীরবে শুরু করা তার সেই শিক্ষাযাত্রার সফল পরিণতি এখন এলাকার মানুষের কাছেও অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ