ক্রীড়া প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় আসন্ন ‘প্রাইম মিনিস্টার জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এবং ‘জাতীয় আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’ সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রতিযোগিতাগুলোতে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ, খেলার পরিবেশ, পরিচালনা পদ্ধতি এবং ক্রীড়ার নতুন নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সমিতি, চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে গতকাল রবিবার দুপুর দুইটায় শহরের একটি হোটেলে এ সভা, রিফ্রেশার কোর্স ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইসলাম রকিব।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, একটি প্রতিযোগিতার সাফল্য শুধু মাঠের খেলায় সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নিয়মকানুনের যথাযথ প্রয়োগ, নিরপেক্ষতা এবং খেলোয়াড়দের জন্য নিরাপদ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা। তাই আসন্ন জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া আয়োজনগুলোতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। সভায় খেলাধুলার নতুন নিয়মকানুন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকদের দক্ষতা ও জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ করতে রিফ্রেশার কোর্সের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। প্রতিযোগিতার সময় মাঠ পরিচালনা, খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা, নিয়ম মেনে খেলা পরিচালনা এবং বিচারকদের দায়িত্ব পালনের বিষয়েও বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ উঠে আসে।
আলোচনা সভায় সমিতির পদস্থ সদস্যরা অংশ নেন। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আ. হাই, ফিরোজ উদ্দিন, হাফিজুর রহমান, শামসুন্নাহার শিলা, দিলারুবা খুকু, হামিদুল হক, রিপা শাহরিয়ার, বিলকিচ নাহার, আইরিন ইসলাম, আহসান হাবিব হাসান, খাজের আলী, বিপ্লব হোসেন, শাহ আলম, সাইফুল ইসলাম, মহসিন কামাল, শহিদুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম। সভায় বক্তারা আরও বলেন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও প্রতিযোগিতার ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন।
আয়োজকেরা জানান, আসন্ন প্রতিযোগিতাগুলোকে ঘিরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নতুন নিয়মকানুন সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রতিযোগিতাগুলো আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও গ্রহণযোগ্যভাবে পরিচালনায় সহায়ক হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। আলোচনা ও রিফ্রেশার কোর্স শেষে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে আয়োজন করা হয় প্রীতিভোজের। পরে আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।


