নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য ও বিএনপির সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল বিএনপির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংগঠন। সংগঠনের গুরুত্ব অনুধাবন করে আপনাদের কর্মযজ্ঞ ঠিক করতে হবে। নানা সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে, সেগুলো নিরসনের জন্য চেষ্টা করা হবে। গতকাল চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউসের হলরুমে জেলা মহিলা দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল চারটায় সভাটি শুরু হয়।
নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীদের জন্য নির্ধারিত পদগুলোতে দলের প্রার্থীরা যাতে বিজয়ী হয়ে আসতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ জন্য সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, দল থেকে একক প্রার্থী থাকবে। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মহিলা দলকে আরও সুসংগঠিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধ্যমতো দায়িত্ব পালনে সচেতন থাকতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রউফুন্নাহার রিনা। জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর শেফালী খাতুনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জাহানারা খাতুন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ছালমা জাহান পারুল, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসরিন পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক তেজেরা খাতুন, আলমডাঙ্গা উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক রিফাত সুলতানা বহ্নি, সদস্য সচিব রেহানা পারভীন, আলমডাঙ্গা পৌর মহিলা দলের আহ্বায়ক জিনিয়া খাতুন, জীবননগর উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক পেয়ারা খাতুন, দর্শনা থানা মহিলা দলের সদস্য সচিব বেবি খাতুন এবং জেলা মহিলা দলের নেত্রী রহিমা খাতুন ও ফেরদৌসি লাকী।
সভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মহিলা দলের নেত্রীরা সাংগঠনিক কার্যক্রম, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতামত দেন। একই সঙ্গে সংগঠনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সমস্যার বিষয়ও তুলে ধরা হয়। প্রধান অতিথি নেতা-কর্মীদের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে মহিলা দলকে আরও শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতা-কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন। আগামী দিনের রাজনৈতিক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।


