আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি নজর, প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবে বিএনপিসহ মিত্ররাও📰চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ আটক ৩ জনকে জেল-জরিমানা📰উন্নয়নকাজে রাজনৈতিক বৈষম্য থাকা উচিত নয়: এমপি রুহুল📰দর্শনায় যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন আহত📰চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে শাহজাহান মুকুল সম্পাদক পদে আব্দুল মজিদ📰সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে: এমপি রাসেল📰জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ📰চুয়াডাঙ্গায় সমাজসেবা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা লুট📰আলমডাঙ্গায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান গ্রেফতার-৫📰শিশুদের নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সাবধান থাকার আহ্বান
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগআলমডাঙ্গায় দুই গরু চুরির ঘটনা আতঙ্কে খামারিরা

আলমডাঙ্গায় দুই গরু চুরির ঘটনা আতঙ্কে খামারিরা




হাটবোয়ালিয়া প্রতিনিধি:

আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটবোয়ালিয়ায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি গরু চুরির ঘটনায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ গত সোমবার রাতে মাঠপাড়া থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু চুরি হয়েছে। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর একই গ্রামের হাসপাতালপাড়া থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি গর্ভবতী ফ্রিজিয়ান গাভী চুরি হয়। পরপর দুটি চুরির ঘটনায় স্থানীয় গরু পালনকারী ও খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। এলাকাবাসীর কয়েকজনের ধারণা, এ ঘটনাগুলোর পেছনে সংঘবদ্ধ কোনো চোরচক্র থাকতে পারে। চোরচক্রের সঙ্গে স্থানীয় কোনো ব্যক্তির যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সর্বশেষ চুরির ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার রাতে হাটবোয়ালিয়ার মাঠপাড়ায়। চুরি হওয়া গরুটির মালিক কৃষক খুরশিদের ছোট ছেলে ও মালয়েশিয়াপ্রবাসী মানিক। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে গরুকে খাবার দিয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে আবার গরুকে খাবার দিতে গিয়ে দেখতে পান গোয়ালঘরে গরুটি নেই। পরিবারের সদস্যদের ধারণা, রাত একটার পর কোনো একসময় চোরেরা গোয়ালঘর থেকে গরুটি নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। গরুটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে একই গ্রামের হাসপাতালপাড়া থেকে এনামুল কসাইয়ের একটি গর্ভবতী ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী চুরি হয়। ওই গাভীটির আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ২ লাখ টাকা। দুই ঘটনার ধরন প্রায় একই হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চোরচক্র নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, রাতে গোয়ালঘর ও খামারের ওপর নজর রেখে সুযোগ বুঝে গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ দল। এ ক্ষেত্রে চোরচক্রের সঙ্গে স্থানীয় কারও যোগাযোগ রয়েছে কী-না, তা তদন্ত করে দেখার প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।
স্থানীয় গরু পালনকারীরা বলছেন, একটি গরু হারানো শুধু একটি পশু হারানো নয়; অনেক পরিবারের জন্য এটি দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় তারা নিজেদের গবাদিপশুর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গরু চুরি ঠেকাতে রাতের বেলায় গোয়ালঘর ও খামারে বাড়তি নজরদারি, অপরিচিত ব্যক্তিদের চলাফেরার ওপর খেয়াল রাখা এবং স্থানীয়ভাবে সমন্বিতভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, পরপর ঘটে যাওয়া দুটি গরু চুরির ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন করা হোক। একই সঙ্গে চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ