আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রশ্ন নিরাপদ সাংবাদিকতার📰গাংনী ও মুজিবনগরে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ব্যক্তি গ্রেপ্তার, আটক ২📰আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ফাঁদে এখন বিদ্যুৎ প্রকল্প📰জীবননগরে রাতের আঁধারে দুই কলাবাগান কলা চুরি📰চুয়াডাঙ্গায় দোকান মালিক সমিতির নতুন কমিটির শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত 📰চুয়াডাঙ্গার আজমুলকে ‘ভাত চুরির’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ📰সীমান্তে ঘুরে রাতের আঁধারে ফিরলেন শিক্ষকেরা📰চুয়াডাঙ্গা উপশম নার্সিং হোমে অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর📰আলমডাঙ্গাকে হারিয়ে ফাইনালে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা📰আলমডাঙ্গায় ট্রাক উদ্ধার , এজাহারে আসামি ও গাড়ির তথ্য বদল নিয়ে ধোঁয়াশা
হোম পেজরাজনীতিজেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে একক প্রার্থী দেবে কেন্দ্রীয় বিএনপি

জেলার নেতাদের সাথে সমন্বয় করে একক প্রার্থী দেবে কেন্দ্রীয় বিএনপি




ঢাকা অফিস:

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূলে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চলছে জোর প্রস্তুতি। নানা ভাবে নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। ফলে একই ইউনিয়নে দলের একাধিক প্রার্থী হওয়ার ‘আভাস’ মিলছে। অনেকেই মনে করছেন-এবার দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলেও প্রার্থী বাছাইয়ে দলীয় সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ আগে থেকেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন। অনেকে স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ স্থানীয় সংসদ-সদস্যসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। তবে স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে আগেভাগেই মাঠপর্যায়ে নজর রাখছে বিএনপি। দল সমর্থিত প্রার্থীর বাইরে যাতে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারেন সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিএনপি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী’ ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে বিএনপিস্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। প্রার্থী বাছাইয়ে এলাকায় ও জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা, সততা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া দলের প্রতি অনুগত এবং বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ভূমিকা রাখা নেতাদেরও মূল্যায়ন করা হবে। দলীয় প্রতীক না থাকায় একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দলটির হাইকমান্ড। তবে এবার বিতর্কিতদের স্থান দেয়া হবে না এবং বিএনপির নাম ভাঙিয়ে যারা সুবিধা নিচ্ছে তাদের বিষয়েও দল সতর্ক রয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওদিকে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবে বিএনপি।
বিএনপি’র একজন সিনিয়র নেতা এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য জেলা, উপজেলা এবং মহানগর নেতাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় এমপি’র সঙ্গে সমন্বয় করে প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন। দলীয় প্রতীক না থাকায় বিএনপি তাদের সমর্থন দেবে। কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাদের কেন্দ্রে ডেকে সিনিয়র নেতারা কথা বলবেন। দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে বিদ্রোহ প্রার্থী সমঝোতা করে দেয়ার চেষ্টা করা হবে। এক্ষেত্রে বিদ্রোহ প্রার্থী দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোটের মাঠে যদি শেষ পর্যন্ত থাকেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে দল।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে পাবনা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দল একজনকে সমর্থন দেবে, বিশেষ করে ইউপি চেয়ারম্যান পদে একজন প্রার্থী হবে। একজনকেই দল সমর্থন করবে, সেখানে শৃঙ্খলা ভেঙে যাতে একাধিক প্রার্থী না হয়- বৈঠকে সে ব্যাপারে কড়া বার্তা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে তৃণমূলের যে ইউনিটগুলো আছে-সেসব ইউনিটের নেতারা বসে একজন প্রার্থী ঠিক করবেন। জেলার সহযোগিতা নিয়ে তারা এটা ঠিক করবেন। একজন ব্যক্তির বাইরে যাতে দলের আর কেউ প্রার্থী না হয়, সে ব্যাপারে তারা সামগ্রিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করবেন।
রাজশাহী বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত যোগ্যতা অনুযায়ী দলের প্রার্থী বাছাই করা হবে। তবে বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের ভূমিকা ছিল, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, জনগণের কাছে যাদের গ্রহণযোগ্য বেশি-তাদের মূল্যায়ন করবে দল। আর স্থানীয় এমপি’র সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা, উপজেলা এবং মহানগরের নেতৃবৃন্দরা চূড়ান্ত প্রার্থী দেবেন। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে যে নির্দেশনা দেবেন, আমরা সেভাবেই প্রার্থী বাছাই করবো। এক্ষেত্রে একক প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য এলাকায় এবং জনগণের কাছে যার জনপ্রিয়তা বেশি তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ত্যাগী নেতাদেরও মূল্যায়ন করবে দল।
এদিকে, জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ প্রার্থী হলে তা মেনে নেয়া হবে না। এমন বার্তাই দেয়া হচ্ছে দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। আসন্ন নির্বাচন ঘিরে দলীয় শৃঙ্খলা ইস্যুতে জোর দিচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলে আসছেন-স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘একক প্রার্থী’ ঠিক করতে হবে এবং সবাইকে মিলে দল সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের এই বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক করা হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি বৈঠকে (জেলা ও বিভাগীয়) এই বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে আসছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী সমর্থন ইস্যুতে স্থানীয় সংসদ-সদস্যদেরও দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র একজন সদস্য বলেন, বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। তবে মাঠের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কোথাও কোথাও একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইতে পারে। সেক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই পরবর্তী মনোনয়নপত্র বৈধ হলে একক প্রার্থীর পক্ষে সবাই কাজ করবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ে একাধিক প্রার্থী হওয়ার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটিতে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বপ্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক। বেশকিছু এলাকায় একাধিক নেতা দলীয় সমর্থন ও নিজেদের আধিপত্যের লড়াইয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গণমাধ্যমে এসেছে, ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নে এবার চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন পেতে বিএনপির নেতা বা সমর্থক অন্তত নয়জন তৎপর রয়েছেন। এজন্য আগেভাগেই বিদ্রোহীদের সামলানো এবং তাদের সমর্থকদের ভোট টানার নতুন ছক কষছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগসহ প্রতিপক্ষ অন্য দল এবং বিগত নির্বাচনে অংশ নেয়া বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের ভোট কীভাবে নিজেদের বাক্সে আনা যায়, তা নিয়ে চুলচেরা হিসাব-নিকাশ করছেন দায়িত্বশীল নেতারা। অবশ্যই কিছু কিছু এলাকায় বিএনপির দলীয় নেতারা সমঝোতার ভিত্তিতে একক প্রার্থী ঠিক করছেন।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, স্থানীয় নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হলে ভোট ভাগাভাগির ঝুঁকি তৈরি হবে। এতে দল সমর্থিত প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। একই সঙ্গে তৃণমূলে বিভক্তি বাড়তে পারে। তাই শুরুতেই বিদ্রোহের পথ বন্ধ করতে চায় দলটির হাইকমান্ড। স্থানীয় নির্বাচনে প্রতীক না থাকলেও বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতাও গুরুত্ব পাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের সমর্থকরা স্থানীয় নির্বাচনে কী ভূমিকা রাখবেন, সেটিও হিসাবের মধ্যে রাখা হচ্ছে। একইভাবে আওয়ামী লীগ ও অন্য রাজনৈতিক দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের ভোট নিয়েও নানা সমীকরণ কষছেন তারা।
বিএনপির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমাদের দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি রয়েছে। সাংগঠনিকভাবে দলের পক্ষ থেকে সবাইকে একটি স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিচ্ছি যে, দলীয় প্রার্থী হবেন একজন। দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। তবে সব ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হবে-এমনটা নয়। হয়তো কিছু কিছু জায়গায় দু-একজন মনোনয়ন জমা দেবে, কিন্তু চূড়ান্ত সময়ে (মনোনয়ন যাচাই-বাছাই পরবর্তী) দলের একজনই থাকবে। এজন্য সবাইকে আগেভাগেই সতর্ক করছি আমরা।
বিএনপির জেলা পর্যায়ের নেতারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ফলে প্রার্থী বাছাই নিয়েও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে একাধিক নেতা নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরছেন। কোথাও সাবেক জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নামছেন। কোথাও নতুন মুখের তৎপরতা বেড়েছে। আবার কোথাও দলের একাধিক নেতার মধ্যে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। এতে তৃণমূলে নতুন করে বিভাজনের শঙ্কাও করছেন কেউ কেউ।
দলের দায়িত্বশীল নেতারা অবশ্য বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সামনে রেখে এবার আরও কঠোর হওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের মতে, দল এখন রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে তৃণমূলের সাংগঠনিক সক্ষমতারও পরীক্ষা। তাই প্রার্থী সমর্থন থেকে শুরু করে নির্বাচনি কর্মকাণ্ড-সব ক্ষেত্রেই স্থানীয় বিএনপির পাশাপাশি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা থাকবে। এদিকে তৃণমূলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে মতবিনিময়। নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। কেউ সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হচ্ছেন। কেউ স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাড়াচ্ছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেকজন সদস্য বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ যাতে নির্বাচনে না নামেন, সেজন্য আগেভাগেই সতর্ক করা হবে। একই সঙ্গে তৃণমূলের মতামত নিয়ে প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্যোগও নেয়া হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ