আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি নজর, প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবে বিএনপিসহ মিত্ররাও📰চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ আটক ৩ জনকে জেল-জরিমানা📰উন্নয়নকাজে রাজনৈতিক বৈষম্য থাকা উচিত নয়: এমপি রুহুল📰দর্শনায় যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন আহত📰চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে শাহজাহান মুকুল সম্পাদক পদে আব্দুল মজিদ📰সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে: এমপি রাসেল📰জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ📰চুয়াডাঙ্গায় সমাজসেবা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা লুট📰আলমডাঙ্গায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান গ্রেফতার-৫📰শিশুদের নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সাবধান থাকার আহ্বান
হোম পেজকৃষি ও পরিবেশআলুকদিয়ায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

আলুকদিয়ায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য করা একটি আবেদনকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শামসুর রশিদ নামে এক আবেদনকারীর বিরুদ্ধে প্রকৃত ঠিকানা ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন না করে আবেদন করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। একই সঙ্গে তার পরিবারের একাধিক সদস্য আগে থেকেই সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত থাকায় প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী তার ডিলার হওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে আবেদনকারীর ঠিকানা, নাগরিকত্ব, আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া কাগজপত্র এবং পরিবারের সদস্যদের সার ডিলারশিপের তথ্য সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারী মিঠু চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সদস্য ও আলুকদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বলেন, আলুকদিয়া ইউনিয়নের হুচুকপাড়ার সালাউদ্দীনের ছেলে শামসুর রশিদ ওই এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছেন। তবে তার দাবি, শামসুর রশিদ আলুকদিয়া ইউনিয়নের প্রকৃত বাসিন্দা নন। মিঠু বলেন, আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেয়া কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করা হলে আবেদনকারীর ঠিকানা ও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্যের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালার (গ) ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে আবেদনকারীর পরিবারের কোনো সদস্য সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত থাকলে ওই আবেদনকারীকে সার ডিলার হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার বিধান রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, শামসুর রশিদের পরিবারের একাধিক সদস্য ইতোমধ্যে সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। ফলে তার আবেদনটি নীতিমালার আলোকে যাচাই করে যোগ্যতা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগকারীরা মনে করছেন, সার ডিলার নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, নাগরিকত্ব, স্থায়ী ঠিকানা ও পারিবারিকভাবে বিদ্যমান ডিলারশিপের বিষয়গুলো সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি। অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেলে প্রযোজ্য নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবেদনকারী শামসুর রশিদ। তিনি বলেন, সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী আবেদন করা হয়েছে। আমি নিয়ম মেনেই আবেদন করেছি। কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে এখনো অভিযোগ আসেনি। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিক ধাপে যাচাই-বাছাই করা হয়ে থাকে। কেউ অনিয়মভাবে আবেদন করলে তা বাতিল হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, ঠিকানা ও অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা হলে অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ