নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা-পুলিশের পৃথক অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বড় বাজার এলাকায় ২ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার এক যুবককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ একাধিক ধারায় করা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজারে লোটো শোরুমের সামনে পাকা সড়ক থেকে মাহফুজ শেখ (২৪) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শহরের সিঅ্যান্ডবি পাড়ার মহিলা মাদ্রাসার পাশের এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। সদর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় মাহফুজকে গ্রেপ্তারের পর তার দেহ তল্লাশি করা হয়। একপর্যায়ে তার পরনে থাকা কালো জিনসের প্যান্টের সামনের বাঁ পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো এক পুরিয়া গাঁজা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মাহফুজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৯(ক) ও ৩৬(৫) ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
অন্যদিকে, গত বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে এনামুল হোসেন (৩৭) নামের আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে। সদর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক শরীয়তুল্লাহ ভূইয়ার নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানায়, এনামুল হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ২০২৪ সালের ১৯ আগস্টের একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মামলাটির এফআইআর নম্বর ১৩ এবং জিআর নম্বর ১৭০/২৪। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩, ১১৪, ৩০৭ ও ৪২৭ ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮-এর ৩ ও ৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।


