আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজরাজনীতিএকক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা

একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা




ঢাকা অফিস:

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতিতে মাঠে সক্রিয় জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বিভিন্ন এলাকায় চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে দলটি। দলীয় সূত্রের দাবি, কোথাও কোথাও প্রায় এক বছর আগেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন বাড়তে পারে। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে নির্বাচনি সমন্বয় না হলে রাজনৈতিক দূরত্ব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটবদ্ধ অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই জামায়াতের। জাতীয় নির্বাচনে শরিকদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থান থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনে নিজস্ব প্রার্থীদের নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় দলটি। এতে একই এলাকায় জামায়াত ও শরিক দলের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে পারেন। ফলে নির্বাচনি সমীকরণের পাশাপাশি জোটের পারস্পরিক সম্পর্কেও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এক বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি : স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে অন্তত এক বছর আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে জামায়াত। সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদেও প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে কর্মশালা, প্রশিক্ষণ সভা ও সাংগঠনিক বৈঠক করছে দলটি। এসব কর্মসূচিতে প্রার্থীদের সততা, যোগ্যতা, নৈতিকতা, জনসম্পৃক্ততা এবং মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে জনকল্যাণমুখী করার বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে দলটির এই একক নির্বাচনি প্রস্তুতি শরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।
শরিকদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার আশঙ্কা : ১১-দলীয় ঐক্যের শরিকদের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সমন্বয় থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনে একই ধরনের সমঝোতা বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে শরিক দলগুলোকেও নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এতে একই ইউনিয়ন, পৌরসভা বা উপজেলায় ঐক্যের শরিকরা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। বিশেষ করে জামায়াত ও এনসিপির সাংগঠনিক উপস্থিতি রয়েছে-এমন এলাকায় প্রার্থী সমন্বয় না হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হতে পারে। স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল ভোটের হিসাবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রার্থী বাছাই, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে। কোনো এলাকায় এক দলের প্রার্থী অন্য দলের সমর্থন প্রত্যাশা করলে সমঝোতা না হওয়ার বিষয়টি পারস্পরিক অসন্তোষের কারণ হতে পারে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে জোট করার সিদ্ধান্ত নেই। তবে কোনো জেলা, উপজেলা বা এলাকায় শরিক দলগুলো আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দলটির নারী উইং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, এনসিপি আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে একক প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে এবং প্রথম ধাপে ১০০ প্রার্থীর তালিকাও প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদ এবং ঢাকা দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মেয়র পদে লড়ার প্রস্তুতির কথা রয়েছে। ১১-দলীয় ঐক্যের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা সাইফুল ইসলাম ফরিদী বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে অংশ নিলে তারাও এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ