আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগদামুড়হুদায় ১২ বিঘা জমির মালিকানা নিয়ে ১৭ বছরের বিরোধ

দামুড়হুদায় ১২ বিঘা জমির মালিকানা নিয়ে ১৭ বছরের বিরোধ




কার্পাসডাঙ্গা অফিস:

দামুড়হুদা উপজেলার হুদাপাড়া গ্রামে প্রায় ১২ বিঘা জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চলছে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলার মধ্যে বাদীপক্ষের দাবি, বিচারিক কার্যক্রমে দুই দফায় তাদের পক্ষে রায় হয়েছে। তবে রায়ের পরও জমিতে যাওয়া ও জমি ব্যবহার করতে বিবাদীপক্ষ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এ নিয়ে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও বাদীপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, হুদাপাড়া ৫ নম্বর মৌজার সিএস খতিয়ানভুক্ত ৩ একর ৯০ শতক জমি নিয়ে একই গ্রামের উসমান গনি গং ও সামাদ আলী গংয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। প্রায় ১২ বিঘা আয়তনের ওই জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চললেও জমির দখল ও ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের অবসান হয়নি। বাদীপক্ষের দাবি, মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দুই দফায় তাদের পক্ষে রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ওই জমির একটি পুকুরে মাছ চাষের উদ্দেশ্যে প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছের পোনা ছাড়া হয়।
বাদীপক্ষের ফরজ ও বুলু আহমেদ অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমিতে যেতে চাইলে বিবাদীপক্ষের লোকজন বাধা দিয়ে আসছেন। এ সময় গালিগালাজ ও হুমকি দেয়ারও অভিযোগ করেন তারা। এমনকি জমির আইলে গেলেও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি। ফরজ ও বুলু আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে আসছি। আদালত দুইবার আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এরপরও বিবাদীপক্ষ বিভিন্নভাবে জমিতে যেতে ও জমি ব্যবহার করতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে। এতে আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মামলা চলার কথা তারা শুনে আসছেন। বাদীপক্ষের অনুকূলে আদালতের রায় হয়েছে বলেও তারা জানেন। তবে বর্তমানে জমির দখল ও ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। দীর্ঘদিনের এ বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য তারা আইনগত প্রক্রিয়ায় বিষয়টির নিষ্পত্তি চান।
অভিযোগের বিষয়ে বিবাদী সামাদ আলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, তিনি উচ্চ আদালতে (হাইকোর্টে) আপিল করেছেন। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, জমিটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে রয়েছে। তাই জমি ছেড়ে দেব কীভাবে?
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা এ বিরোধের কারণে জমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আদালতে মামলা চলমান থাকায় চূড়ান্ত আইনগত নিষ্পত্তির বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। একই সঙ্গে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে উভয় পক্ষেরই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ