আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজঅর্থনীতিচুয়াডাঙ্গার বাজারে চাল-ডালের দামে আগুন, চাপে নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত

চুয়াডাঙ্গার বাজারে চাল-ডালের দামে আগুন, চাপে নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার বাজারে চাল-ডালের দাম বাড়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গত এক মাসের ব্যবধানে কয়েক ধরনের ডালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত। চালের ২৫ কেজির বস্তায়ও বেড়েছে ৫০ টাকা। এর সঙ্গে মুরগি, ডিম, মসলা ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওঠানামায় সংসারের খরচের হিসাব মেলাতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা। আয় না বাড়লেও বাড়ছে দৈনন্দিন ব্যয়। ফলে বাজারে গিয়ে প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ কমানো কিংবা তালিকা থেকে কিছু পণ্য বাদ দেয়া অনেক পরিবারের জন্য নিয়মিত বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা শহরের বড় বাজারে গত দুই দিন ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে সব পণ্যের দাম একইভাবে বাড়েনি। গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। টমেটো, গাজর, ফুলকপি ও শিমের মতো কিছু সবজির দামও কমেছে। তবে আলু, বাঁধাকপি, রসুন, কয়েক ধরনের মুরগি এবং বিশেষ করে চাল-ডালের বাড়তি দামে সেই স্বস্তি অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। প্রতিদিনের খাবারের অপরিহার্য উপকরণগুলোর পেছনে বেশি টাকা খরচ করতে হওয়ায় সামগ্রিকভাবে বাজারের চাপ কমছে না।
বাজারে আসা ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে যে টাকা নিয়ে বাজারে এলে চাল, ডাল, সবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যেত, এখন একই টাকায় সেই পরিমাণ পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে সংসার চালাতে গিয়ে কাটছাঁট করতে হচ্ছে কেনাকাটার তালিকায়। চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারের মুদি ব্যবসায়ী হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, সম্প্রতি কয়েক ধরনের ডালের দাম একসঙ্গে বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি মুগের ডাল ১৫০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ১৭০ টাকা। কলাইয়ের ডাল ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে। ভালো মানের মসুর ডালের দাম ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়। আর ছোলার ডাল ১০০ টাকার পরিবর্তে এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। শুধু ডাল নয়, মসলা থেকে শুরু করে শিশুদের দুধসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানান এই ব্যবসায়ী। তার ভাষ্য, ক্রেতারা আগের দাম হিসাব করে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নিয়ে দোকানে আসছেন। কিন্তু নতুন দাম শুনে সেই টাকায় প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছেন না। কেউ পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, আবার কেউ প্রয়োজনীয় পণ্য না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, দ্রব্যমূল্যের এই বৃদ্ধিতে আমরাও যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছি। ক্রেতারা প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে এসে টাকার অভাবে ফিরে যাচ্ছেন। এতে আমাদের ব্যবসায়ও ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে দোকানভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে চালের দামেও ঊর্ধ্বগতির চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের চালের ২৫ কেজির বস্তায় ৫০ টাকা করে দাম বেড়েছে। বর্তমানে ভালো মানের বাসমতি চাল পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি ৭৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৬৬ টাকা। আর রড মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা কেজি দরে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মসলার দামও কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
চাল ও ডাল এমন দুটি পণ্য, যা প্রায় প্রতিটি পরিবারের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকে। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়লে সংসারের সামগ্রিক ব্যয়ে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে যেসব পরিবারের আয়ের বড় অংশ খাবার কেনার পেছনে ব্যয় হয়, তাদের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বাজারের বাড়তি দামের চাপে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক ও দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষ। তাদের আয় নির্দিষ্ট নয়। কোনো দিন আয় কিছুটা ভালো হলেও কোনো দিন কাজ বা যাত্রী কম থাকায় আয় নেমে আসে। এর মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসারের খরচ মেটানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
চুয়াডাঙ্গা শহরের রিকশাচালক শাহাজান বলেন, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লেও তাদের আয় আগের মতোই রয়েছে। প্রতিদিনের আয় দিয়ে খাবার কেনার পর পরিবারের অন্যান্য খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, কিন্তু আমাদের আয় তো বাড়ছে না। তাহলে আমরা কীভাবে চলব? প্রতিদিন যা আয় করি, তা দিয়ে খাবার কিনে পরিবারের অন্য খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আরেক রিকশাচালক জালাল উদ্দিন বলেন, ইজিবাইকের কারণে আগের মতো রিকশায় যাত্রী পাওয়া যায় না। এতে আয় কমেছে। অন্যদিকে চাল, ডাল ও সবজিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ফলে সীমিত আয়ে সংসারের খরচ চালাতে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জালাল উদ্দিনের মতো দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের ক্ষেত্রে বাজারের বাড়তি খরচ সামাল দেয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। কাজ ও যাত্রী কমে আয় কমছে, অথচ খাবারসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় কমানোর সুযোগও সীমিত। চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে মুরগির দামেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়েনি। তবে সোনালি, লেয়ার ও পেরেন্সসহ কয়েক ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২০০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম ২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ৩৭০ টাকা এবং পেরেন্স মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ৩৮০ টাকা হয়েছে।
অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায়। খাসির মাংসের দাম আরও বেশিÑকেজিতে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। এসব দামের কারণে সীমিত আয়ের পরিবারের জন্য নিয়মিত মাংস কেনা কঠিন হয়ে পড়ছে। ডিমের বাজারেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের। বড় বাজারে এক খাঁচি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকায়। প্রতি হালি ডিমের দাম ৪৪ টাকা। চাল, ডাল, সবজি ও অন্যান্য খাবারের খরচের সঙ্গে ডিমের ব্যয় যোগ হওয়ায় পরিবারের খাদ্যবাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। চাল-ডাল ও মুরগির বাজারে যখন বাড়তি দামের চাপ, তখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মাছের বাজারে। একাধিক মাছ ব্যবসায়ীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত এক মাসের তুলনায় বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছের দাম কমার পরও ক্রেতাদের উপস্থিতি ও কেনাকাটা প্রত্যাশিত মাত্রায় নেই। চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে বড় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০০ টাকায়। আগের তুলনায় দাম কমেছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ছোট রুইয়ের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা কমে ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা হয়েছে। বড় কাতলার দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কমে ৫০০ টাকা এবং ছোট কাতলার দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা কমে ২৮০ টাকা হয়েছে। গলদা চিংড়ির দাম কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমে বর্তমানে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। পাঙাশের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০ থেকে ৪০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং ছোট কই মাছ ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, দাম কমলেও বাজারে ক্রেতাদের কেনাকাটা কম। ফলে বিক্রি আশানুরূপ হচ্ছে না। মাছের দাম কমার সুবিধা থাকলেও চাল-ডালসহ অন্যান্য পণ্যের বাড়তি ব্যয়ের কারণে ক্রেতারা প্রয়োজন অনুযায়ী মাছ কিনতে পারছেন না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারে সবজির দামেও রয়েছে ওঠানামা। কিছু সবজির দাম কমে ক্রেতাদের সামান্য স্বস্তি দিলেও কয়েকটির দাম বেড়েছে। বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২৫ টাকায়, যা আগের তুলনায় ৫ টাকা বেশি। পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকা কেজি। রসুনের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে আদার দাম কেজিতে ৫০ টাকা কমে ২০০ টাকায় নেমেছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। টমেটোর দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হয়েছে। গাজরের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা কমে ১৬০ টাকা এবং ফুলকপির দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা কমে ৬০ টাকা হয়েছে। তবে বাঁধাকপির দাম ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা হয়েছে। শিমের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা হয়েছে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং কাঁচা কলা ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া লাউ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, ছোলার শাক ১২০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, উচ্ছে ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং ঝিঙে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার বড় বাজারের সামগ্রিক চিত্র বলছে, কিছু মাছ ও সবজির দাম কমলেও চাল, ডাল, মুরগি, ডিম এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি করছে। বাজারে কোনো একটি পণ্যের দাম কমার স্বস্তি অন্য পণ্যের বাড়তি দামে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকেও মাসের আয় থেকে খাবার, বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের হিসাব মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে এসে পণ্যের দাম শুনে অনেক সময় প্রয়োজনীয় জিনিসের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে। আগে যে টাকায় সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন একই টাকায় প্রয়োজনীয় সব পণ্য কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কেউ কম পরিমাণে চাল-ডাল কিনছেন, কেউ মাছ-মাংসের পরিমাণ কমাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ তালিকা থেকে কিছু পণ্য বাদ দিচ্ছেন। বাজারে মাছ বা কিছু সবজির দাম কমা সাময়িক স্বস্তি দিলেও চাল-ডালের মতো অপরিহার্য পণ্যের দাম বাড়ায় সেই স্বস্তি স্থায়ী হচ্ছে না। আয় না বাড়ার বিপরীতে সংসারের ব্যয় বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগও বাড়ছে। তাদের প্রত্যাশা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে নির্ধারিত আয়ে অন্তত পরিবারের প্রয়োজনীয় খাবারের জোগান নিশ্চিত করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ