বিশেষ প্রতিবেদক:
সড়ক, ব্রীজ, কালভার্ট ও গ্রোথ সেন্টার নির্মাণে পাল্টে যাচ্ছে চুয়াডাঙ্গার গ্রামীণ জনপদ। গ্রামীণ উন্নয়নে প্রায় ২৮০ কোটি টাকার এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, সড়ক, ব্রীজ, কালভার্ট ও গ্রোথ সেন্টারের নির্মাণ কাজ শেষ হলে চুয়াডাঙ্গার কৃষি, যোগাযোগ, গ্রামীণ জীবন ও অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গায় উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করছে উইকেয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে। ২৭৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যায় ধরা হয়েছে এসব কাজে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে কাজগুলো।
চুয়াডাঙ্গা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্য জীবননগর উপজেলার কাজ শেষ হয়েছে। অন্য উপজেলা গুলোতেও ২ মাসের মধ্য শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় জেলায় ৯৩ কিলোমিটার সড়ক, ১১টি ব্রীজ, ১০৫টি কালভার্ট ও ৭টি গ্রোথসেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় সড়ক ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার, ব্রীজ ৩টি, কালভার্ট ২২টি ও গ্রোথসেন্টার ১টি, আলমডাঙ্গা উপজেলায় সড়ক ২৩ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার, ব্রীজ ৬টি, কালভার্ট ১৭টি ও গ্রোথসেন্টার ৩টি, দামুড়হুদা উপজেলায় সড়ক ২৯ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার, ব্রীজ ১টি, কালভার্ট ৩২টি ও গ্রোথসেন্টার ২টির নির্মাণ কাজ চলছে। জীবননগর উপজেলায় সড়ক ১৬ দশমিক ৪৭ কিলোমিটার, ব্রীজ ১টি, কালভার্ট ৩৪টি এবং গ্রোথসেন্টার ১টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের মিডিয়াকর্মী নারায়ণ ভৌমিক জানান, আমাদের এলাকায় একটি গ্রোথসেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। বাজার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন হয়েছে। রোদ,বৃষ্টি, শীতের মধ্যেও স্বাভাবিক ভাবে বাজার করা যাবে।
আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সোহেল রানা বলেন, নতুন সড়ক নির্মাণ ও প্রশস্ত করায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হয়েছে। কৃষি নির্ভর এলাকা হওয়ায় সকলে সুবিধাভোগ করবেন।
চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিদুজ্জামান বলেন, জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ব্যবসা, কৃষি, বাজার ও কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখবে উন্নয়নমূলক কাজগুলো। প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে বাকি কাজগুলো দ্রুত সময়ে শেষ করা হবে।


