আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগদামুড়হুদায়  সামিউলের বাড়ির সামনে এক সন্তানের জননীর অনশন

দামুড়হুদায়  সামিউলের বাড়ির সামনে এক সন্তানের জননীর অনশন




কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি:

দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রামে সামিউল (২৭) নামের এক যুবকের বাড়ির সামনে স্ত্রীর স্বীকৃতি ও সংসারের অধিকার পাওয়ার দাবিতে অনশন শুরু করেছেন রাবেয়া (২৮) নামের এক নারী। গতকাল বুধবার সকাল থেকে তিনি ওই বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন। রাবেয়ার দাবি, টিকটকের মাধ্যমে সামিউলের সঙ্গে তার পরিচয়, পরে প্রেমের সম্পর্ক এবং বিয়ের আশ্বাসে তিনি চন্দ্রবাসে এসেছেন। তবে সেখানে আসার পর তাকে মারধর ও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তার। রাবেয়া মাগুরার জেলার আজিজ শেখের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী। অন্যদিকে সামিউল চন্দ্রবাস গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় চুলমিস্ত্রি।
রাবেয়ার ভাষ্য, টিকটকের মাধ্যমে সামিউলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সামিউল তাকে বিয়ে করে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করবেন এবং সংসার করবেনÑএমন আশ্বাস দেন। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই তিনি চন্দ্রবাসে সামিউলের বাড়িতে আসেন। তবে বাড়িতে আসার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ রাবেয়ার। তার দাবি, সামিউল ও তার মা তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মারধরের সময় তার গলায় থাকা প্রায় চার আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে নেয়া হয় এবং তার মুঠোফোন ভেঙে দেয়া হয় বলে দাবি তার। রাবেয়া বলেন, পরিস্থিতি একপর্যায়ে এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে প্রাণ বাঁচাতে তিনি স্থানীয় প্রতিবেশীদের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। এরপর নিজের দাবি আদায়ে সামিউলের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন তিনি। অনশনরত রাবেয়া বলেন, আমি আমার সংসার চাই, আমার স্বামীর অধিকার চাই। আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে এখান থেকে আমার লাশ যাবে।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাবেয়াকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করেন বলেও দাবি করেন তারা।
রাবেয়ার অভিযোগের বিষয়ে সামিউল ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে তাঁর বাড়িতে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠার পর থেকে সামিউল ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নেই বলে স্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। ফলে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
রাবেয়ার সঙ্গে সামিউলের বিয়ে হয়েছে কী-না, তাদের সম্পর্কের প্রকৃতি কী ছিল এবং তার করা মারধর, হত্যাচেষ্টা ও স্বর্ণের চেইন নেয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর চন্দ্রবাসসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ