আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরিবার

চুয়াডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরিবার




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় আসছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৫টি পরিবার। এসব পরিবারের তথ্য সংগ্রহে ৪৮০ জন নিয়মিত তথ্য সংগ্রহকারী ও ৪৮ জন রিজার্ভ কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো পরিবার বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার দুপুর ২টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম. তারিক-উজ-জামান। এ সময় তিনি ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চুয়াডাঙ্গা জেলায় চারটি উপজেলা, ৪১টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা রয়েছে। জেলা প্রশাসনের দেয়া হিসাব অনুযায়ী, সদর উপজেলায় ৭১ হাজার ৩৮৫টি, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১ লাখ ৬ হাজার ৪০৪টি, দামুড়হুদা উপজেলায় ৮৭ হাজার ২৮৬টি এবং জীবননগর উপজেলায় ৫৬ হাজার ১১টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আওতায় ২৬ হাজার ৮৮৯টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহের কথা জানানো হয়েছে। প্রশাসনের দেয়া হিসাব অনুযায়ী, সব মিলিয়ে জেলায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কাজের জন্য নিয়মিত ৪৮০ জন তথ্য সংগ্রহকারীর পাশাপাশি ৪৮ জন রিজার্ভ তথ্য সংগ্রহকারী থাকবেন। তদারকির জন্য নিয়োজিত থাকবেন ৪৮ জন নিয়মিত সুপারভাইজার এবং চারজন রিজার্ভ সুপারভাইজার। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, তথ্য সংগ্রহের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংবাদ সম্মেলন শেষে তথ্য সংগ্রহকারীদের মধ্যে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ও ট্যাব বিতরণ করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান বলেন, সরকারি কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের করণীয় সম্পর্কে গণমাধ্যম সঠিক তথ্য তুলে ধরলে মানুষ উপকৃত হবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা, সুবিধার পরিমাণ কিংবা বিতরণের সময়সূচি সম্পর্কে সরকারি নির্দেশনায় নিশ্চিত না হয়ে কোনো তথ্য প্রচার করা উচিত নয়। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ, প্রতারণা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা এবং তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে মানুষের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আসিফ হায়দার, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জাকির হোসেন, সহকারী পরিচালক আইনাল হক, সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক হিমেল রানা, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মৌমিতা পারভিন এবং সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাঈদ হাসান।
জীবননগর অফিস জানিয়েছে, জীবননগরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি।
প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি জানান, জীবননগর উপজেলায় মোট পরিবারের সংখ্যা ৫৬ হাজার ১২ জন। উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম পরিচালনায় মোট ৮ জন সুপারভাইজার ও ৮১ জন তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োজিত করা হয়েছে। সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক জীবননগর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৩টি ইউনিয়নে জরিপ কার্যক্রম চালানো হবে। সেই অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে আন্দুলবাড়িয়া, কেডিকে ও মনোহরপুর ইউনিয়নে তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, সোমবার উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড জরিপ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সে লক্ষ্যে উক্ত ৩টি ইউনিয়নে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের ২ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ইফতেখার রহমান, কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল শেখ, শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাসছুল আফরিন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরআলমসহ অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ