আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগসড়ক দুর্ঘটনায় দর্শনা দোস্ত গ্রামের চালক সাত্তার নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় দর্শনা দোস্ত গ্রামের চালক সাত্তার নিহত




নেহালপুর প্রতিনিধি:

মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়কের আলমখালী বাজারের কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন লাটাহাম্বার চালক দর্শনার দোস্ত গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৪৫)। গতকাল শনিবার দুপুরে আলমখালী বাজারের কাছে অজ্ঞাতনামা গাড়ি তার লাটাহাম্বারকে ধাক্কা দিলে সড়কে উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সাত্তারের আকস্মিক মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার দোস্ত গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্ত্রী ও দুই নাবালক কন্যাসন্তানকে রেখে তার এভাবে চলে যাওয়া পরিবারটিকে ফেলেছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। নিহত আব্দুস সাত্তার চুয়াডাঙ্গা দর্শনার দোস্ত গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হক মিয়ার ছেলে। পেশায় গরুর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, গতকাল শনিবার কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীর সঙ্গে নিয়ে লাটাহাম্বার চালিয়ে মাগুরার রামনগর এলাকার একটি হাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন সাত্তার। পথে মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়কের আলমখালী বাজার এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। এতে লাটাহাম্বারে থাকা কয়েকজন কমবেশি আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন চালক আব্দুস সাত্তার। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে তিনি মারা যান।
মাগুরা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিম বলেন, আলমখালী এলাকায় লাটাহাম্বারটিকে পেছন থেকে একটি অজ্ঞাতনামা গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে সাত্তার গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, আব্দুস সাত্তারের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে তার স্ত্রী ও দুই নাবালক কন্যাসন্তানের জীবন। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বজনেরা। যে মানুষটি জীবিকার তাগিদে পরিবারের জন্য রোজগার করতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন, তার আর জীবিত অবস্থায় ঘরে ফেরা হলো না। দুই শিশুকন্যার বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় পরিবারের সদস্যরা। বাবার স্নেহ-ভালোবাসা ও অভিভাবকত্বে যাদের বেড়ে ওঠার কথা, সেই শিশুদের জীবনেই নেমে এসেছে গভীর শূন্যতা। স্বজনদের কাছে এ ক্ষতি অপূরণীয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আব্দুস সাত্তার ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল, নম্র ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ। পরিচিতজনদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশতেন। তার সুন্দর ব্যবহার ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের কারণে এলাকায় অনেকের কাছেই তিনি ছিলেন প্রিয়। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। যাদের সঙ্গে প্রতিদিন দেখা-সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হতো, তারা তার অকালমৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ