আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগমাথাভাঙার ভাঙনে আতঙ্কে নগরবোয়ালিয়ার ১৫ পরিবার

মাথাভাঙার ভাঙনে আতঙ্কে নগরবোয়ালিয়ার ১৫ পরিবার




হাটবোয়ালিয়া প্রতিনিধি:

আলমডাঙ্গা উপজেলার নগরবোয়ালিয়া গ্রামে মাথাভাঙা নদীর ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ১৫টিরও বেশি পরিবারের সদস্যরা। নদীর পাড়ে ভাঙন অব্যাহত থাকায় বসতবাড়ি ও জমি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তারা। এসব পরিবারের অধিকাংশই দরিদ্র ও অসহায়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে বসতভিটা হারিয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গ্রামটির কারিগরপাড়ায় পানি নিষ্কাশনের জন্য আগে থেকেই একটি ড্রেন রয়েছে, যা মাথাভাঙা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নদীর কূল থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ওই ড্রেনের শেষ প্রান্ত থেকে পাড় ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও জমি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ভাঙন আরও বাড়লে তাদের দীর্ঘদিনের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ভুক্তভোগীরা জানান, নদীভাঙনের আশঙ্কা তাদের প্রতিদিনের জীবনযাপনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। অনেক পরিবারের আর্থিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় বসতভিটা হারালে নতুন করে ঘর নির্মাণ বা অন্য কোথাও আশ্রয় নেওয়ার সামর্থ্যও তাদের নেই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কারিগরপাড়ার পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা কার্যকর করতে সেখানে একটি স্থায়ী ড্রেন নির্মাণ করা প্রয়োজন। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করে বর্ষার পানি সরাসরি মাথাভাঙা নদীতে প্রবাহিত করার ব্যবস্থা করা হলে পানি নিষ্কাশনের সমস্যা কমার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাটির সুরক্ষায়ও কার্যকর উদ্যোগ নেয়া সম্ভব হবে। তারা বলেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া না হলে আগামী বর্ষায় নদীভাঙনের কারণে বসতবাড়ি ও জমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে শুধু ঘরবাড়ি নয়, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। এ অবস্থায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তারা স্থানীয় চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকি মোকাবিলা, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা এবং বসতভিটা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চেয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এলাকাটি পরিদর্শন করে সমস্যার প্রকৃতি নিরূপণ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এতে দীর্ঘদিনের বসতভিটা হারানোর আশঙ্কা থেকে পরিবারগুলো কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং তাদের বসতভিটা রক্ষার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ