আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগআলুকদিয়ায় পাচারকালে ডিএপি সার আটক, বিক্রেতাকে জরিমানা

আলুকদিয়ায় পাচারকালে ডিএপি সার আটক, বিক্রেতাকে জরিমানা




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের ঝোড়াঘাটা গ্রামে চোরাই পথে সার পাচারের সময় ১০ বস্তা ডিএপি সার আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। বেশি দামে অন্য এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে সারগুলো নেয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে সারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত সার বিক্রেতা ফারুক হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝোড়াঘাটা গ্রামের আলম মালিতার ছেলে ফারুক হোসেন মালিতা দামুড়হুদা উপজেলার এক সার ডিলারের কাছ থেকে ১০ বস্তা বাংলা ডিএপি সার কেনেন। অভিযোগ, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে ওই সারগুলো সন্ধ্যার পর পাখিভ্যানে করে দামুড়হুদা উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের এক খুচরা বিক্রেতার কাছে পাঠানো হচ্ছিল। পথে হুচুকপাড়া গ্রামের মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে পাখিভ্যানটি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ভ্যানে থাকা ১০ বস্তা সার দেখতে পেয়ে তারা সারগুলো আটক করেন। পরে সারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝোড়াঘাটা গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সার ব্যবসায়ী আইন, ২০২৬-এর ১২(৩) ধারায় ফারুক হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আসিফ হায়দার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন শাহানাজ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা ১০ বস্তা সার মেসার্স বিশ্বাস ট্রেডার্সের কাছে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা পারভীনের মাধ্যমে হুচুকপাড়া ও ঝোড়াঘাটা গ্রামের কৃষকদের কাছে ওই সার ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এদিকে সার পাচারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ, চাষাবাদের মৌসুমে প্রয়োজনের সময় অনেক কৃষক ডিলারের কাছে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। অথচ একদিকে কৃষকেরা সারসংকটে ভুগছেন, অন্যদিকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সরবরাহ করা সার অন্য এলাকায় বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক কৃষক বলেন, জমিতে ফসল উৎপাদনের জন্য সময়মতো সার পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু প্রয়োজনের সময়ে ডিলারের কাছে সার না পেয়ে অনেক সময় তাদের বাড়তি দামে সার কিনতে হয়। অথচ সেই সারই যদি অন্যত্র বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে প্রকৃত কৃষকেরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। কৃষকদের দাবি, শুধু একটি চালান আটক ও জরিমানা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। সার সরবরাহের পুরো ব্যবস্থাপনায় নজরদারি বাড়াতে হবে। ডিলার পর্যায় থেকে সার কৃষকের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা গেলে পাচার ও কালোবাজারি বন্ধ করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ