আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগজীবননগরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ

জীবননগরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ




নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি সার ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণে ব্যপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ কৃষকদের বঞ্চিত করে খুচরা সার বিক্রেতাদের কাছে অতিরিক্ত দামে সরকারি সার বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেডিকে ইউনিয়নের প্রায় ২০টি খুচরা সার দোকানের অনুকূলে নামে-বেনামে ভুয়া সার কার্ড তৈরি করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামান। প্রতি মাসে এসব কার্ড ও নিজ স্বাক্ষরিত বিশেষ স্লিপের মাধ্যমে তিনি খুচরা বিক্রেতাদের সার বরাদ্দ দিয়ে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব ভুয়া কার্ড ও স্লিপের মাধ্যমে সার বিতরণের সময় তিনি বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত অবৈধ কমিশন গ্রহণ করেন। শুধু তাই নয়, সরকারের দেয়া কৃষি প্রণোদনা বিতরণেও বিস্তর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এলাকার প্রকৃত কৃষকরা সার ও পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হলেও স্থানীয় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা।
কেডিকে ইউনিয়নের ভুক্তভোগী চাষী ইনামুল, ইসরাইল, ইব্রাহিম ও খলিলসহ একাধিক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা মাঠের সার ও পরামর্শের জন্য কৃষি কর্মকর্তার কাছে গেলে তাকে প্রায়শই পাওয়া যায় না। অথচ তিনি আমাদের সরাসরি সার না দিয়ে দোকানদারদের ভুয়া কার্ড ও স্লিপের মাধ্যমে একবারে ৫ থেকে ১০ বস্তা করে সার দিয়ে দেন। বিনিময়ে দোকানদারদের কাছ থেকে নেয়া হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ