আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগআলমডাঙ্গায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ 

আলমডাঙ্গায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ 




আলমডাঙ্গা অফিস:

আলমডাঙ্গা উপজেলার ওসমানপুর গ্রামে চার লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে সামসুন্নাহার (৩৩) নামে এক গৃহবধূকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হারদী হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় স্বামী সোহাগ মাহমুদ (৩৮) ও শাহিন আলীর বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৮ বছর আগে ওসমানপুর গ্রামের সোহাগ মাহমুদের সঙ্গে সামসুন্নাহারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, বিয়ের সময় নগদ ১০ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র দেয়া হয়েছিল। সামসুন্নাহারের অভিযোগ, গত এক বছর ধরে তার স্বামী বিভিন্ন সময়ে যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। এ নিয়ে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে তিনি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেও বিভিন্ন সময়ে টাকা এনে স্বামীকে দিয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন তিনি। এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৫ অক্টোবর সকাল ৮টার দিকে বাবার বাড়ি থেকে আরও চার লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলা হয় তাকে। এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন সামসুন্নাহার। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হারদী হাসপাতালে নিয়ে যান। দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মেয়ের বিয়ের বয়স হয়েছে এবং ছেলে এখনো নাবালক। পারিবারিক বিরোধের এমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী।
এদিকে, সোহাগ মাহমুদের সঙ্গে মুসলিমা নামে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ বিষয়ে মুসলিমার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অভিযোগটির স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সোহাগ মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি। এজাহারে কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পারিবারিকভাবে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা করায় থানায় অভিযোগ দিতে বিলম্ব হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। তবে যৌতুক দাবি, মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ। এ বিষয়ে পুলিশি তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত চিত্র জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ