আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়তি নজর, প্রশাসনের পাশাপাশি সতর্ক থাকবে বিএনপিসহ মিত্ররাও📰চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ আটক ৩ জনকে জেল-জরিমানা📰উন্নয়নকাজে রাজনৈতিক বৈষম্য থাকা উচিত নয়: এমপি রুহুল📰দর্শনায় যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুজন আহত📰চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে শাহজাহান মুকুল সম্পাদক পদে আব্দুল মজিদ📰সবাই মিলে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে: এমপি রাসেল📰জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ📰চুয়াডাঙ্গায় সমাজসেবা কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা লুট📰আলমডাঙ্গায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান গ্রেফতার-৫📰শিশুদের নিরাপত্তায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও সাবধান থাকার আহ্বান
হোম পেজস্বাস্থ্যজীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

জীবননগরে ৫ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ




জীবননগর অফিস:

প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নবায়ন না করা এবং পরিবেশ ও নারকোটিক্স ছাড়পত্র ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পাঁচটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। গত সোমবার (২ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের এ আদেশ দেয়া হয়। বন্ধের নির্দেশ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জীবননগর হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত একতা প্যাথলজি, আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জীবননগর নার্সিং হোম, অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং জননী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি বিধিবিধান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন গ্রহণের বিষয়ে এর আগে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সতর্ক করার পরও তারা প্রয়োজনীয় শর্ত ও নিয়ম যথাযথভাবে পালন করেনি। এ কারণে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বেসরকারি ক্লিনিক, নার্সিং হোম ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বাধ্যতামূলক শর্তের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লাইসেন্স নবায়ন, প্রয়োজনীয় সরকারি ছাড়পত্র গ্রহণ, দক্ষ জনবল নিয়োগ, যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ। পাশাপাশি অপারেশন থিয়েটারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের নির্ধারিত নিয়মও মানতে হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, দক্ষ জনবল এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকা রোগীদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নিয়মিত নজরদারি ও সরকারি বিধিবিধানের বাস্তবায়ন জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ