দামুড়হুদা অফিস:
দামুড়হুদায় পুলিশের পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতে হাজির করা হলে আদালত দুজনকেই কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। তাদের মধ্যে ইকরামুল হক (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং হাসান (২৪) নামের অপর ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুজনকেই এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) জুম্মান খান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলার ঠাকুরপুর গ্রামে অভিযান চালান। গ্রামের হরমুতের আমবাগানের সামনে পাকা সড়ক থেকে ইকরামুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ইকরামুল উপজেলার ওসমানপুর গ্রামের আজাদ আলী ও রোকেয়া বেগমের ছেলে। এর আগে গত শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ডুগডুগি গ্রামে আরেকটি অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই উত্তম কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসানকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের ভাষ্য, ওই সময় তিনি গাজা সেবন করে মাতলামি করছিলেন। হাসান ডুগডুগি গ্রামের নজরুল ইসলাম ও রাবেয়া খাতুনের ছেলে। পরে গ্রেপ্তার দুজনকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ইকরামুল হককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে হাসানকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকেও আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ এবং চোরাকারবারি, মাদক কেনাবেচায় জড়িত ব্যক্তি, দস্যুতা, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


