দামুড়হুদা অফিস:
দামুড়হুদায় পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মডেল থানা পুলিশ। একই অভিযানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আরও একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনকে সংক্ষিপ্ত বিচারে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দামুড়হুদা মডেল থানার থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত শুক্রবার ও শনিবার পৃথক অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মালিতা মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালান এসআই মাহাবুল হক ও তার সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যরা। এ সময় একটি ওষুধের গোডাউনের ভেতর থেকে আব্দুল্লা (৩০) নামের এক ব্যক্তিকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দামুড়হুদার দেউলী স্কুলপাড়ার জামাল উদ্দিনের ছেলে। এরপর শনিবার সকাল ১০টার দিকে দেউলী ক্লাবের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তিন গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন বদনপুরের মজিবর পণ্ডিতের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (২৬) এবং দেউলীর আনিছুর রহমানের ছেলে মাহাবুর রহমান (২৪)। একই সময়ে সিআর-৫৪৫/২৫ নম্বর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি লিটন আলীকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দামুড়হুদার উজিরপুর মণ্ডলপাড়ার মহন আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, পরোয়ানাভুক্ত আসামি লিটন আলীকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার তিনজনকে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা দেন। আদালতের রায়ে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার আবদুল্লাকে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও পাঁচ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ফরিদুল ইসলাম ও মাহাবুর রহমানকে একই আইনের ৩৬(১) সারণির ১৯(ক) ধারায় প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও পাঁচ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন বলেন, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং চোরাকারবারি, মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, ছিনতাইকারী, ডাকাত ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


