আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগচুয়াডাঙ্গায় উপেক্ষা করে বৃদ্ধের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গায় উপেক্ষা করে বৃদ্ধের জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ




নেহালপুর প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর (বিলপাড়া) গ্রামে আদালতের স্থিতিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ ও উপজেলা ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদন উপেক্ষা করে এক বৃদ্ধ চা-দোকানির জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। জমিতে নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে তাকে মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বেগমপুর বিলপাড়ায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সিরাজুল ইসলাম (৬১)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের প্রধানের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১৯৯০ সালে বেগমপুর বিলপাড়া মাঠে ৩০ শতক জমি কিনে তিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। তবে ২০২৩ সালের ২৭ জুন একই এলাকার হাবিবুর রহমান বেঙ্গার ছেলে জাকির হোসেন (৩৮) তার কেনা জমির সাত শতক জোরপূর্বক দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। সিরাজুল ইসলামের দাবি, জমি দখলের এ চেষ্টার প্রতিকার চেয়ে তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুলাই আদালতে মামলা করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে পাঠান। শুনানিতে জাকির হোসেন জমির মালিকানার পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তার পক্ষে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সিরাজুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। পিটিশন মামলা নম্বর ১৫০/২০২৩। আদালতের আদেশের পর বেগমপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিন উভয় পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের আদেশ ও পুলিশের নোটিশের পরও জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকেনি বলে অভিযোগ সিরাজুল ইসলামের। তিনি বলেন, জাকির হোসেন প্রভাবশালী হওয়ায় গত ১৫ অক্টোবর থেকে আবারও ওই জমিতে জোরপূর্বক পাকা ঘর নির্মাণ শুরু করেছেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং মারধরের চেষ্টা করা হয়। ভবিষ্যতে ওই জমিতে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিনিয়ত হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। স্থানীয়ভাবে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় গত ২০ অক্টোবর তিনি দর্শনা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম তার জমি উদ্ধারে এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের জরুরি ও দৃশ্যমান হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ