আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গায় পৃথক অভিযানে মাদক মামলার তদন্তে পাওয়া তিন আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত চালানো এসব অভিযানে গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকেও আটক করা হয়েছে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেনÑ অঘরনাথপুর গ্রামের তারেক সর্দার (৩৮), কালিদাসপুর স্কুলপাড়া গ্রামের সাইফুল মালিথা (৩৫), গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামের ফয়সাল মাহমুদ (২৬), কামালপুর গ্রামের সজল আলী (২৫), কুমারী গ্রামের মাসুম রেজা (২৬), গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামের সুজন (৩০) এবং দুর্লভপুর গ্রামের এনামুল হক ওরফে আব্দুর রহমান। তারা সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামের ফয়সাল মাহমুদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তারেক সর্দার ও সাইফুল মালিথাকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দুজনই ১৬ অক্টোবর দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি। একই বাড়ি থেকে ফয়সাল মাহমুদকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তিনজনকেই আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার রাধাগঞ্জ এলাকায় মিন্টু মিয়ার ফলের দোকানের সামনে পাকা সড়ক থেকে সজল আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে এক গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই রাতে ১১টার দিকে কুমারী গ্রামের কালিমন্দিরের পেছনের সড়ক থেকে মাসুম রেজাকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে এক পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। এ দুই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক প্রসিকিউশন দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার লাল ব্রিজের ওপর থেকে জনসাধারণের বিরক্তি সৃষ্টির অভিযোগে সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া দুপুর ১২টার দিকে দুর্লভপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এনামুল হক ওরফে আব্দুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ রাকিবুল ইসলাম বলেন, মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান চলছে। অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।


