আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজদেশের খবরখুলনা বিভাগসাংবাদিকের সাথে অসৌজনমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বিরুদ্ধে

সাংবাদিকের সাথে অসৌজনমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বিরুদ্ধে




সরোজগঞ্জ প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহমুদা খাতুনকে ‘স্যার’ সম্বোধন না করায় স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও তার দিকে তেড়ে আসার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সাংবাদিক ভিডিও ধারণ করতে গেলে ওই কর্মকর্তা আরও ক্ষুব্ধ হন এবং অফিসের স্টাফদের ডাকতে ডাকতে বেরিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক দেড়টার দিকে জেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন জানান, তার একটি যুব সংগঠন রয়েছে। সেই সূত্রে আগামী ১ নভেম্বর যুব দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির জন্য গত পরশু যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে তাকে ফোনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। যুব দিবস উদযাপন উপলক্ষে যুব সংগঠনগুলোর কাছ থেকে চাঁদা নেয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ইলিয়াস হোসেনের ভাষ্য, প্রথমে উপপরিচালকের সঙ্গে দেখা হলে তিনি উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে চুয়াডাঙ্গার যুব সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সাবেক উপপরিচালকের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ধরনের কাজ না করার জন্য সতর্ক করে তিনি বলেন, অভিযোগ করে কিছুই হবে না, বরং সংগঠনগুলোরই ক্ষতি হবে।
এ প্রসঙ্গে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন বলেন, আমি তাকে বলি, আগের উপপরিচালক ফিরোজ ভাই ও মাসুম ভাই যুব সংগঠনবান্ধব মানুষ ছিলেন। সবার সঙ্গে তাদের পরিবারের মতো সম্পর্ক ছিল। কোনো সংগঠন এ ধরনের কাজ করলে তারা বিষয়টি বুঝিয়ে বলতেন। তিনি আরও বলেন, এ সময় উপপরিচালক আমাকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ বলতে হয়। আমি বলি, আগের উপ-পরিচালকদের সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বড় ভাইয়ের মতো সম্পর্ক ছিল। তারা আমাকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করতেন। তিনি জানতে চান, তাহলে তাকে কী বলে সম্বোধন করব। আমি বলি, আপনি যেটা বলবেন। তখন তিনি ‘স্যার’ বলতে বলেন। আমি জানাই, ‘স্যার’ নয়, ‘ম্যাডাম’ বলব।
ইলিয়াস হোসেন আরো জানান, এ কথোপকথনের একপর্যায়ে উপ-পরিচালক বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন এবং সরকারি চাকরিজীবীদের স্যার বলার বিধি নিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াস নিজের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিডিও বক্তব্য নিতে গেলে উপ-পরিচালক ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ সময় তিনি সাংবাদিককে ধরতে বলেন এবং অফিসের স্টাফদের ডাকতে ডাকতে বেরিয়ে যান। পরে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের দাবি, সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করা বাধ্যতামূলক নয়, এটি ব্যক্তিগত বিষয়।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলো ঘিরে ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ও সমালোচনা করেন অনেকে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদা খাতুন মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সরোজগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ভালাইপুর প্রেসক্লাবসহ চুয়াডাঙ্গার সাংবাদিক সমাজ। তারা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ