আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজস্বাস্থ্যআলমডাঙ্গার হারদী হাসপাতালে রোগীর ব্যাগ থেকে টাকা চুরি

আলমডাঙ্গার হারদী হাসপাতালে রোগীর ব্যাগ থেকে টাকা চুরি




আলমডাঙ্গা অফিস:

আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হারদী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীর ব্যাগ থেকে টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন আলমডাঙ্গার মালিহাদ গ্রামের ফাহিমা খাতুন ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের রোজিনা বেগম। সরকারি ছুটির দিনে হাসপাতালের বহির্বিভাগ (আউটডোর) বন্ধ থাকায় জরুরি বিভাগে রোগীদের ভিড় বাড়তে থাকে। আর এই ভিড়ের মধ্যেই তাদের টাকা খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টাকা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তারা।
গতকাল মঙ্গলবার সরকারি ছুটি থাকায় হারদী হাসপাতালের বহির্বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিল। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চাপ বাড়তে থাকে জরুরি বিভাগে। অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা নেয়া, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে ব্যস্ত ছিলেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েকজন রোগীর সঙ্গে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী হিসেবে মালিহাদ গ্রামের ফাহিমা খাতুন ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের রোজিনা বেগমের নাম জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অবস্থানকালে তাদের ব্যাগ থেকে টাকা চুরি হয়। চিকিৎসা নিতে এসে সঙ্গে থাকা টাকা হারিয়ে তারা বিপাকে পড়েন। অসুস্থতা ও চিকিৎসার দুশ্চিন্তার পাশাপাশি টাকা হারানোর ঘটনায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অধিকাংশ রোগী ও তাদের স্বজন নিজেদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধ কেনা এবং যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা সঙ্গে রাখেন। অনেকের কাছে এই অর্থই থাকে চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর একমাত্র ভরসা। ফলে হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এসে টাকা হারানোর অভিযোগ রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সরকারি ছুটির দিনে বহির্বিভাগ বন্ধ থাকায় জরুরি বিভাগে রোগীদের চাপ বাড়লে পর্যাপ্ত নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। রোগীদের ভিড়ের মধ্যে এ ধরনের অভিযোগ ওঠায় হাসপাতালের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জরুরি বিভাগের আশপাশে নজরদারি বাড়ানো, রোগী ও তাদের স্বজনদের সতর্ক করা এবং অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এদিকে, ভুক্তভোগী ফাহিমা খাতুন ও রোজিনা বেগমের কত টাকা খোয়া গেছে, এ ঘটনায় তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন কি না এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রোগীদের নিরাপদে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ