আজ ,,
,

শিরোনামঃ
📰একক প্রস্তুতি জামায়াতের , এনসিপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার শঙ্কা📰দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কে রাতের আঁধারে গাছ কেটে ফেলে রাখায় রহস্য ঘনীভূত📰আলমডাঙ্গার প্রাপগপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের আহত ৭ 📰চুয়াডাঙ্গায় নজরুল উৎসবের পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ রিক্তের বেদন📰চুয়াডাঙ্গার ভান্ডারদহে গৃহবধূকে আহত করে সোনার চেইন ছিনতাই📰আলমডাঙ্গা পরোয়ানাভুক্ত নারীসহ ৪ জন গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার📰দর্শনায় কাঠ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখমের অভিযোগ📰চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত📰দামুড়হুদায় বুলডেজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো দুই অবৈধ ইটভাটা📰মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৪ বছরেও ফেরেননি গাংনীর নিখোঁজ চারজন
হোম পেজকৃষি ও পরিবেশজীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৯১২ বস্তা সার আদালতের নির্দেশে কৃষকদের মাঝে বিক্রি 

জীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৯১২ বস্তা সার আদালতের নির্দেশে কৃষকদের মাঝে বিক্রি 




জীবননগর অফিস:

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ রাখার অভিযোগে জব্দ করা ৯১২ বস্তা সার আদালতের নির্দেশে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সরাসরি কৃষকদের কাছে বিক্রি শুরু হয়েছে। কৃষক কার্ড যাচাই করে ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে বাজারে সারের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামের চাপ ছাড়াই স্থানীয় কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে সার কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে জীবননগর থানা ও হাসাদাহ পুলিশ ক্যাম্প চত্বরে জব্দ করা সার বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে কৃষকদের কৃষক কার্ড যাচাই করে সার দেয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর জীবননগর উপজেলার দুটি সার বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসন ও পুলিশ। অভিযানে প্রতিষ্ঠান দুটির বৈধ লাইসেন্স না থাকা এবং অবৈধভাবে সার মজুদের বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করা হয়। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুই প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। জব্দ করা সার দীর্ঘদিন পড়ে না রেখে প্রকৃত কৃষকদের কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশনায় জব্দ করা ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই থানা ও পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় কৃষকদের উপস্থিতি দেখা যায়। কৃষকেরা তাদের কৃষক কার্ড প্রদর্শন করে নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করেন। বিক্রির সময় কৃষকের পরিচয় ও কার্ড যাচাই করা হচ্ছে, যাতে প্রকৃত কৃষকের বাইরে অন্য কেউ সুবিধা নিতে না পারেন।
সার বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শনকালে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, জব্দ করা সার প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কৃষক কার্ড যাচাই করেই সার বিক্রি করা হচ্ছে। এতে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়নি। তিনি বলেন, কৃষকেরা যাতে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারেন, সেটিই এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। জব্দ করা সার কৃষকের কাছে সরাসরি বিক্রির ফলে স্থানীয় কৃষকেরা উপকৃত হচ্ছেন।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দ করা সার বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে সুশৃঙ্খলভাবে সার বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অবৈধভাবে সার মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর পাশাপাশি জব্দ করা সার প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়ার এই উদ্যোগ কৃষকদের জন্য স্বস্তির। এতে একদিকে জব্দ করা সার নষ্ট বা পড়ে থাকার ঝুঁকি কমছে, অন্যদিকে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ সংবাদ