জীবননগর অফিস:
জীবননগরের হাসাদাহে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৩২০ বস্তা সরকারি রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া উচ্চমূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে জানা যায়। এ ঘটনায় ওই সার ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার হাসাদাহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারের তৌফিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায় পুলিশ। জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দোকানটিতে অভিযান চালিয়ে ৩২০ বস্তা ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করে। এ সময় দোকানমালিক আব্দুল খালেকের উপস্থিতিতে তার তিনটি দোকান সিলগালা করা হয়।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন, সার ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জীবননগর থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জীবননগর উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে শহরের একটি দোকান থেকে ৪০৩ বস্তা সার জব্দ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর শহরের দত্তনগর সড়কে অবস্থিত শান্তনা এন্টারপ্রাইজে এ অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দেখা যায় দোকানটির স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি ডিএপি সার মজুত করেছেন। এ সময় দোকান থেকে ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। তবে অভিযান চলাকালে দোকানমালিক আবুল কালাম আজাদ পালিয়ে যান।


